| |

সর্বশেষঃ

জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনের ক্ষেত্রে সময় বাড়ানোর সুযোগ নেই : ইসি

আপডেটঃ ৫:৪০ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ১০, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কে কার সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করবে তা রোববারের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) জানাতে হবে। ইসির বেঁধে দেয়া তিন দিনের মধ্যেই দলগুলোকে তা অবহিত করতে হবে। এক্ষেত্রে সময় বাড়ানোর সুযোগ নেই।

ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক যুগ্ম-সচিব এস এম আসাদুজ্জামান শনিবার এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিষয়টি আইনগত। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) ধারা-২০ এর (১) এর (এ) বিধান অনুসারে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ইচ্ছুক একাধিক নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল মিলে নির্বাচনী জোট গঠন করলে, এ জোটের যেকোনো একটি দলের প্রতীক জোটভুক্ত প্রার্থীদের বরাদ্দ করা যাবে। এ ধরনের প্রতীক পেতে হলে জোটকে নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার তিন দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন বরাবর আবেদন করতে হবে।

আরপিও-এর এ ধারার ফলে জোটবদ্ধ নির্বাচন করার তথ্য রাজনৈতিক দলগুলোকে রোববারের মধ্যেই জানাতে হবে। এর ব্যত্যয় করার কোনো সুযোগ নেই।

এর আগে শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক (যুগ্ম সচিব) এস এম আসাদুজ্জামান জানান, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করলে ১১ নভেম্বরের মধ্যে জানাতে হবে।

এর আগে দুপুরে (একই দিন) নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, জোটগতভাবে নির্বাচন করতে হলে তিন দিনের মধ্যে ইসিকে জানাতে হবে। কোনো নিবন্ধিত দল মনোনয়ন দিলে অনিবন্ধিত রাজনৈতিক দলও জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করেছে ইসি। এই দলের সদস্যরা স্বতন্ত্র বা অন্য দলের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কি না কিংবা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে কি না, তা জানতে চাইলে হেলালুদ্দীন বলেন, ‘তারা অন্য দলের প্রতীকে বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে চাইলে তাদেরকে আটকানোর মতো আইন বাংলাদেশে নাই।’

প্রসঙ্গত, আগামী ২৩ ডিসেম্বর রোববার সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠানের দিন নির্ধারণ করে তফসিল ঘোষণা করেছে ইসি। তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ১৯ নভেম্বর সোমবার। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের দিন ২২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার। আর প্রতীক বরাদ্দ ৩০ নভেম্বর শুক্রবার।

গত ৮ নভেম্বর বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণে নির্বাচনের এই দিন ঘোষণা করেন। সিইসির ভাষণ বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

প্রসঙ্গত, সংবিধান অনুযায়ী আগামী ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। গত ৩১ অক্টোবর থেকে নির্বাচনকালীন সময়ের ক্ষণ গণনা শুরু হয়েছে।

ডিসেম্বরের মধ্যেই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে বদ্ধপরিকর ছিল নির্বাচন কমিশন। এ জন্য ১ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি জানায় ইসি।

আরোও পড়ুন...

HostGator Web Hosting