| |

সর্বশেষঃ

সবজির বাজারে স্বস্তি

আপডেটঃ ১:০৬ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ১৬, ২০১৮

শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ার সাথে সাথে কাঁচা বাজারের অন্যান্য সবজির দামও নাগালের মধ্যে চলে এসেছে। তবে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে চাল, ডাল, তেলসহ অন্যান্য পণ্য। শুক্রবার রাজধানীর মেরাদিয়া ও রামপুরা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বিক্রেতারা বলছেন, শীতকালীন সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় বাজারে থাকা বারমাসি সবজির দামও কমেছে। গত বছর অকাল বন্যার কারণে প্রত্যেকটি সবজির দাম ৫০ টাকা অতিক্রম করলেও এখন তা ৩০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে নেমে এসেছে।

বেসরকারি চাকরিজীবী আশিকুর রহমান রামপুরা বাজারে বাজার করতে এসে বলেন, বাজারে শাক-সবজির দাম এখন কিছুটা নিয়ন্ত্রণের মধ্যে এসেছে। মুরগির মাংসের দামও কমেছে। কিছু দিন আগেও প্রতিকেজি ফার্মের মুরগি ১৫০ টাকায় কিনতে হয়েছিল। কিন্তু আজ ১২০ টাকায় কিনেছি।

তিনি বলেন, এক জোড়া ফুলকপি নিয়েছি ৪০ টাকায়, শিম নিয়েছি ৩৫ টাকা কেজি দরে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়, ফুলকপি ২০ থেকে ২৫ টাকায়, বাধাকপি ৩০ টাকা, টমাটো ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এ ছাড়া শীতকালীন সবজি শালগম ৫০ টাকা, ক্ষিরা ৩০ টাকা, পেঁয়াজ কলি ৪০ টাকা, নতুন আলু বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। প্রতিকেজি কচুমুখী ৭০ থেকে ৮০ টাকায়, লাউ ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় এবং পালং শাক প্রতি আঁটি ১৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

এ ছাড়া পটল ৪০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকায়, ঝিঙা ৪০ টাকায়, কাঁকরোল ৩০ টাকায়, পেঁপে ১৫-২৫ টাকায়, কচুর লতি কেজি ৫০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, শশা ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া প্রকার ভেদে প্রতিটি ৩৫-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পুঁইশাক প্রতি আঁটি ২০ টাকা, লাল শাক ১০ টাকা, কলমি শাক ১০ টাকা, লাউ শাক ২৫ থেকে ৩০ টাকা, লেবুর হালি ২০-২৫ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে, দাম অপরিবর্তিত রয়েছে পেঁয়াজ, পুরাতন আলু ও কাঁচা মরিচের। বাজার ও মানভেদে দেশি পেঁয়াজ আগের সপ্তাহের মতো ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচ ৭০ থেকে ৮০ টাকা এবং পুরাতন আলু বিক্রি হচ্ছে ২৮ টাকা দরে।

তবে সবজির দাম কমলেও ডিম ও মাংসের বাজারে আগের অবস্থাই বিরাজ করছে। বাজারে মুরগির ডিম ৯০ থেকে ১০০ টাকা ডজন বিক্রি হতে দেখা গেছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস এখনও ৪৮০ টাকা থেকে মানভেদে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া খাশির মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চালের বাজার রয়েছে স্থিতিশীল। মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪৫ টাকা, পাইজাম ৪৬ থেকে ৫০ টাকা, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬৫ টাকা, নাজিরশাল ৫৬ থেকে ৬০ টাকা।

অন্যদিকে, লুজ সয়াবিন তেল ৮০ থেকে ৮৪ টাকা কেজিতে বিক্রি হলেও বোতলের সয়াবিন প্রকার ভেদে ১০৬ থেকে ১০৮ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে।

আরোও পড়ুন...

HostGator Web Hosting