| |

সর্বশেষঃ

গ্রেপ্তার বেড়েছে, জামিন কমেছে : ফখরুল

আপডেটঃ ২:০২ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ১৯, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের প্রবণতা বেড়েছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনে বিরোধী দলের যে সব প্রার্থীর জয় লাভের সম্ভাবনা বেশি তাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে এবং জামিন দেওয়া হচ্ছে না। নিম্ন আদালতে তাদের জামিন শুনতে বিলম্ব করা হচ্ছে।

সোমবার গণমাধ্যমে এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করার পরে এবং প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা দেওয়ার পরেও বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের মিথ্যা গায়েবী মামলায় গ্রেপ্তার এবং জামিন প্রদান না করবার প্রবণতা আরো বেড়েছে।

এটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে এবং নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা হচ্ছে না। সরকারি দলকে সুযোগ করে দেওয়ার জন্য এই গ্রেপ্তার আটক ও হয়রানি চলছে।

টেলিফোনে বিভিন্ন সংস্থার নামে হুমকি দেওয়া হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, কোনো কোনো বিশেষ প্রার্থীকে ডেকে নিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে এবং চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। এটাতে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এই ঘটনাগুলোতে প্রমাণিত হয় না যে, এই সরকার এবং নির্বাচন কমিশন একটা অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে আন্তরিক।

মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে জামিন পাওয়ার পরেও মুক্ত করা হচ্ছে না। একটার পর একটা মিথ্যা মামলা দেওয়ার পর বিলম্ব করা হচ্ছে। সিনিয়র নেতা সাবেক হুইপ, সংসদ সদস্য মুনিরুল হক চৌধুরী, লায়ন আসলাম চৌধুরী এফ সি এ, যুগ্ম-মহাসচিব-বিএনপি, হাবিবুন-নবী খান সোহেল, যুগ্ম মহাসচিব বিএনপি, অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বিশেষ সহকারী বিএনপি চেয়ারপার্সন, যুবদলেরর সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুসহ আরো অনেক নেতাকে অটক করে রাখা হয়েছে।

এটা অবাধ, সুষ্ঠু ও প্রতিযোগগিতামূলক নির্বাচনের জন্য অনুকূল নয়। নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন ও সরকারের এবং এর দায় দায়িত্ব তাদের ওপরই বর্তায়।

মির্জা ফখরুল অবিলম্বে খালেদা জিয়াসহ আটক সব নেতাদের মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান।

আরোও পড়ুন...

HostGator Web Hosting