| |

সর্বশেষঃ

ধৈর্যের দৃষ্টান্ত রেখে মাহমুদউল্লাহর সেঞ্চুরি

আপডেটঃ ২:৫৯ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ০১, ২০১৮

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ক্যারিয়ারে প্রথম টেস্ট আর দ্বিতীয় টেস্টের মাঝে ব্যবধান ছিল আট বছর ও ৩৫ টেস্টের। ২০১০ সালে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেলেও দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটি পান ২০১৮ সালে। তৃতীয় সেঞ্চুরির জন্য অবশ্য ১৬ দিন ও এক টেস্টের বেশি অপেক্ষা করতে হলো না। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি তুলে নিলেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুরেই ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটি পেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ। এক টেস্ট বিরতি দিয়ে একই মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পেলেন সেঞ্চুরি। আগের সেঞ্চুরিরটি অপেক্ষার রেকর্ড গড়ে পেয়েছিলেন দ্বিতীয় ইনিংসে। আর এদিন মাহমুদউল্লাহ সেঞ্চুরি করলেন ধৈর্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে, প্রথম ইনিংসেই।

শুক্রবার ১৯০ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর উইকেটে এসেছিলেন মাহমুদউল্লাহ। সাকিব আল হাসানের সঙ্গে দুর্দান্ত জুটিতে দিনটি নিজেদের করেছেন। এরপর লিটন দাসকে নিয়ে শনিবার প্রথম সেশনে টেস্টের নাটাই নিয়েছেন নিজেদের হাতে। পরে দ্রুত উইকেট পড়লেও মাহমুদউল্লাহ থাকলেন অবিচল। নবম উইকটে তাইজুলের সঙ্গে জুটিতে সেঞ্চুরি পূরণ করেন তিনি।

২০৩ বলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন মাহমুদউল্লাহ। রোস্টন চেজকে চার হাঁকিয়ে তিন অংকের কোটায় পৌছান এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। তার আগে প্রমাণ দিলেন টেস্টসূভল ব্যাটিং মানসিকতার।

অষ্টম ব্যাটসম্যান হিসেবে মেহেদী হাসান মিরাজ যখন প্যাভিলিয়নে ফেরেন, তখন বাংলাদেশ ৪১৬; মাহমুদউল্লাহর রান ৮৪। শেষ দুজন ব্যাটসম্যানকে নিয়ে মাহমুদউল্লাহ শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি পান কিনা সে শঙ্কা তখনও ভালোভাবেই জেঁকে বসেছিল। তবে সব শঙ্কা উড়িয়ে সেঞ্চুরি পূরণ করেছেন মাহমদুউল্লাহ। তাকে দারুণ সঙ্গ দিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। একপ্রান্ত আগলে রেখে দারুণ খেলেছেন এই স্পিনার। ঠিক প্রকৃত ব্যাটসম্যানের মতোই সতীর্থকে দিয়েছেন সঙ্গ।

ওদিকে টেলেন্ডার ব্যাটসম্যানকে নিয়ে ব্যাট করে মোটেও খেলার ধরন বদলাননি মাহমুদউল্লাহ। শুরুর ধরনের মতোই খেলেছেন। দ্রুত কয়েক বলের মধ্যে সেঞ্চুরি তোলার তাড়া ছিল না তার। নবম উইকেটেও যে মাথা ঠান্ডা রেখে ব্যাট করা যায়, তার চূড়ান্ত উদাহরণই দিলেন এই ব্যাটসম্যান।

আরোও পড়ুন...

HostGator Web Hosting