| |

সর্বশেষঃ

আপিলে প্রার্থিতা পেলেন আরও ৭৮ জন

আপডেটঃ ১০:২৯ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ০৭, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : নির্বাচন কমিশনে আপিল করে আরও ৭৮ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। শুক্রবার দ্বিতীয় দিনে মোট ১৫০ জনের আবেদন নিষ্পত্তি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এতে ৭৮ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়। রিটার্নিং কর্মকর্তা বাতিল করেছিলেন এমন ৬৫ জনের আবেদন আপিলেও নামঞ্জুর হয়। আর ৭ জনের আবেদন পেন্ডিং রেখে আগামীকাল আদেশ দেবে নির্বাচন কমিশন।

এর আগে প্রথম দিন বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশন ১৬০ জনের আপিল নিষ্পত্তি করে। এর মধ্যে ৮০ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পান, যার ৩৮ জনই বিএনপির এবং একজন আওয়ামী লীগের। এদিন ১৩ জনের আবেদন নামঞ্জুর করা হয়। আর চারজনের আবেদন পেন্ডিং রাখা হয়।

শুক্রবার বৈধ ৭৮ জন, বিএনপির ২১

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন, ব্রাহ্মবাড়িয়া-৪ আসনের মোহাম্মদ মুসলেম উদ্দীন, চট্টগ্রাম-৭ আসনের মোহাম্মদ আবু আহমেদ হাসনাত, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের আব্দুল খালেক, বরগুনা-১ আসনে মোহাম্মদ মতিয়ার রহমান তালুকদার, ভোলা-১ আসনের গোলাম নবী আলমগীর, পটুয়াখালী-২ আসনের মোহাম্মদ শহিদুল আলম তালুকদার, ঢাকা-১৬ আসনে একেএম মোয়াজ্জেম হোসেন, কিশোরগঞ্জ-১ আসনে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মানিকগঞ্জ-২ আসনে মঈনুল ইসলাম খান, মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, মাদারীপুর-১ আসনে নাদিরা আক্তার, ঢাকা-১ আসনে ফাহিমা হোসাইন জুবলী, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে সাইফুল ইসলাম সুমন, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মোহাম্মদ মামুন মাহমুদ, মৌলভীবাজার-১ আসনে এবাদুর রহমান চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৪ আসনে দেওয়ান জয়নুল জাকেরিন, টাঙ্গাইল-৬ আসনের নূর মোহাম্মদ খান, শরীয়তপুর-১ আসনের সরদার একেএম নাসীর উদ্দিন, জামালপুর-১ আসনের এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, নেত্রকোনা-৫ আসনের মোহাম্মদ আবু তাহের তালুকদার।

এদিন আওয়ামী লীগের কুড়িগ্রাম-৪ আসনের মোহাম্মদ জাকির হোসেন এবং গণফোরামের হবিগঞ্জ-১ আসনের রেজা কিবরিয়াও প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।

প্রার্থিতা পেলেন জাতীয় পার্টিরও জন

চাঁদপুর-৫ আসনের খোরশেদ আলম খুশু, বরিশাল-২ আসনের মাসুদ পারভেজ (নায়ক সোহেল রানা), নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সালাউদ্দীন খোকা, ঢাকা-৮ আসনে মাহমুদা রহমান মুন্নী, ঢাকা-১৬ আসনে মোহাম্মদ আমানত হোসেন, মানিকগঞ্জ-২ আসনে এসএম আব্দুল মান্নান ও সিলেট-৫ আসনের সেলিম উদ্দিন।

প্রার্থিতা পেলেন জাকের পার্টির ৭ নেতা

পটুয়াখালী-১ আসনে মোহাম্মদ আব্দুর রশীদ, বরিশাল-১ আসনে মোহাম্মদ বাদশা মিয়া, শরীয়তপুর-২ আসনে মোহাম্মদ বাদল কাজী, মাদারীপুর-১ আসনে মোহাম্মদ শাহ নেওয়াজ, কিশোরগঞ্জ-২ আসনে এরশাদ হোসাইন, ঢাকা-১ আসনে সামসউদ্দীন আহমেদ ও ময়মনসিংহ-৫ আসনে মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।

জাসদের ৪ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর

জাসদের প্রার্থিতা পাওয়াদের মধ্যে রয়েছেন, নরসিংদী-২ আসনের জায়দুল কবীর, গাজীপুর-৩ আসনে মোহাম্মদ জহিরুল হক মণ্ডল বাচ্চু, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে সেলিনা সুলতানা ও রংপুর-২ আসনের শ্রী কুমারেশ চন্দ্র রায়।

ইসলামী ঐক্যজোটের ২ জন পেলেন প্রার্থিতা

কুমিল্লা-১ আসনে মোহাম্মদ আলতাফ হুসাইন ও সিলেট-৫ আসনে এমএ মতিন চৌধুরী প্রার্থিতা পেয়েছেন।

টিকে গেলেন সিপিবির ৫ জন

আপিল করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) ৫ নেতা প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন। তারা হলেন, ফরিদপুর-৪ আসনের আতাউর রহমান, ঢাকা-২ আসনে সুকান্ত শফি চৌধুরী, কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে ডা. এনামুল হক ইদ্রিস, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের নুরুল ইসলাম ও শরীয়তপুর-৩ আসনে সুশান্ত ভাওয়াল।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৬ জন

ঢাকা-৩ আসনের মোহাম্মদ সুলতান আহমদ খান, কিশোরগঞ্জ-২ মোহাম্মদ সালাউদ্দিন রুবেল, কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে মোহাম্মদ মুসা খান, টাঙ্গাইল-৮ আসনে মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ মিয়া, ময়মনসিংহ-১১ আসনে মোহাম্মদ আমানউল্লাহ সরকার ও ময়মনসিংহ-১ আসনে মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ।

ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ৩ জন

সুনামগঞ্জ-৪ আসনে মোহাম্মদ দেলোয়ার, টাঙ্গাইল-৬ আসনে মামুনুর রহমান ও টাঙ্গাইল-৩ আসনে এসএম চান মিয়া।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের ৩ জন

সুনামগঞ্জ-৪ আসনে মোহাম্মদ আজিজুল হক, ঢাকা-১৮ আসনে সাইফ উদ্দীন আহমদ খান ও খেলাফত মজলিসের টাঙ্গাইল-৭ আসনের সৈয়দ মজিবর রহমান।

এ ছাড়া বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের ঢাকা-৮ আসনে এসএম সরওয়ার, জেএসডি’র কিশোরগঞ্জ-১ আসনে মোহাম্মদ আব্দুর রহমান, ঢাকা-১৮ আসনে শহীদ উদ্দীন মাহমুদ, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির নেত্রকোনা-১ আসনে মো. এমএ করীম আব্বাসী, বাংলাদেশে ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের টাঙ্গাইল-৩ আসনে মোহাম্মদ আতাউর রহমান খান ও টাঙ্গাইল-৬ আসনে সুলতান মাহমুদের আপিল মঞ্জুর করে প্রার্থিতা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

স্বতন্ত্র যারা প্রার্থিতা পেলেন

চট্টগ্রাম-৮ আসনে হাসান মাহমুদ চৌধুরী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ, বরিশাল-২ আসনে একে ফাইয়াজুল হক, বরিশাল-২ আসনে সৈয়দ রুবিনা আক্তার, পটুয়াখালী-২ আসনে মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দীন, টাঙ্গাইল-৬ আসনে মোহাম্মদ আবুল কাশেম, টাঙ্গাইল-৬ আসনে ব্যারিস্টার এম আশরাফুল ইসলাম, মাদারীপুর-২ আসনে আল আমিন মোল্লা, হবিগঞ্জ-১ আসনে অধ্যাপক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান ও ময়মনসিংহ-৮ আসনে মাহমুদ হাসান সুমন।

প্রার্থী ঝুলে রইলেন

দ্বিতীয় দিনের শুনানিতে সাতজনের আপিল পেন্ডিং রয়েছে। তারা হলেন, ঢাকা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী আমানউল্লাহ আমান, ঢাকা-৯ আসনে মির্জা আব্বাসের স্ত্রী আফরোজা আব্বাস, রংপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সিএম সাদিক, গাইবান্ধা-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আফরোজা বারী, ঢাকা-২০ আসনের বিএনপির সুলতানা আহমেদ, সুনামগঞ্জ-৩ আসনের বাংলাদেশ মুসলীম লীগের সৈয়দ শাহ মোবাশ্বের আলী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসেন ইসলামী ঐক্যজোটের মো. মেহেদী হাসান।

আগামী ৯ ডিসেম্বর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন। ১০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। আর ৩০ ডিসেম্বর ভোট হবে।

আরোও পড়ুন...

HostGator Web Hosting