| |

সর্বশেষঃ

হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল

আপডেটঃ ২:৪৬ অপরাহ্ণ | মার্চ ১৪, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের দেয়া ১০ বছরের সাজা থেকে খালাস চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। একই সঙ্গে আপিল আবেদনে জামিনও চেয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী প্যানেলের অন্যতম সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, অন্যায্যভাবে বিএনপি চেয়ারপারসনের সাজার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে, আমরা শুনানির সুযোগ পাইনি। আমাদের না শুনে রায় দেওয়া হয়েছে, এসব যুক্তিতে আপিল করা হয়েছে। এতে হাইকোর্টের রায় স্থগিত ও বিএনপি চেয়ারপারসনের জামিনও চাওয়া হয়েছে। সামনে সুপ্রিম কোর্টের অবকাশ শুরু হচ্ছে। অবকাশ শেষে আপিল শুনানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এর আগে গত বছরের ৩০ অক্টোবর এ মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা বৃদ্ধির জন্য দুদকের আবেদন শুনানি করে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন।

একই সঙ্গে ৫ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে খালেদা জিয়ার করা আপিল খারিজ করে দেন আদালত। এ ছাড়া ১০ বছরের কারাদণ্ড থেকে খালাস চেয়ে মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে কাজী কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদের আপিল খারিজ করে দেন আদালত। তবে রায় ঘোষণার সময় খালেদা জিয়ার কোনো আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন রাজধানীর বকশীবাজারে স্থাপিত অস্থায়ী পঞ্চম বিশেষ জজ আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই তাকে ওই দিন বিকেলে নাজিমউদ্দিন রোডের সাবেক কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ মামলায় ছয় আসামির মধ্যে খালেদা জিয়াসহ তিনজন কারাবন্দী। বাকি তিন আসামি পলাতক। খালেদা জিয়া ছাড়া বাকি দুজন হলেন—মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ।

পলাতক তিন আসামি হলেন—বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

আরোও পড়ুন...

HostGator Web Hosting