| |

সর্বশেষঃ

১৫৫ বছর পর বন্দিরা পেলেন ভিন্ন নাস্তা

আপডেটঃ ৩:১২ অপরাহ্ণ | জুন ১৬, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের কারাগারগুলোর বন্দিরা দীর্ঘ ১৫৫ বছর ধরে সকালের নাস্তায় রুটি আর গুড় খেয়ে আসছেন। এবার সেই নাস্তার মেন্যুতে পরিবর্তন আসলো।

রোববার সকাল থেকে কারাবন্দিদের সকালের নাস্তায় যুক্ত হয়েছে মুখরোচক কিছু খাবার।

সকাল ৯টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নতুন এ মেন্যুর উদ্বোধন করেন।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মাহবুবুল ইসলাম মিলন জানান, কারাগার প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত সকালের নাস্তায় একটিই মেন্যু ছিল। নাস্তায় একজন কয়েদি পেত ১৪.৫৮ গ্রাম গুড় এবং ১১৬.৬ গ্রাম আটা (সমপরিমাণ রুটি)। একই পরিমাণ গুড়ের সঙ্গে একজন হাজতি পেত ৮৭.৬৮ গ্রাম আটা (সমপরিমাণ রুটি)।

তিনি জানান, কয়েদিরা বহুদিন ধরে সকালের খাবারে পরিবর্তন আনার দাবি জানিয়ে আসছেন। তাদের কথা ভেবেই এবার কারাগারে সকালের নাস্তায় নতুন আইটেম যুক্ত করা হয়েছে। এখন একই খাবার পাবে একজন কয়েদি ও হাজতি। তারা সপ্তাহে ২ দিন পাবে ভুনা খিঁচুড়ি, ৪ দিন সবজি ও রুটি এবং বাকি ১ দিন হালুয়া ও রুটি।

কারা সূত্রে জানা গেছে, ঔপনিবেশিক শাসকদের ১৮৬৪ সালে বেঙ্গল কারাবিধি অনুসারে কয়েদিদের সকালের নাস্তায় রুটি ও আখের গুড় পরিবেশন করা হয়ে আসছে।

১৫৫ বছর ধরে সারা দেশের সাধারণ কয়েদিরা এই নাস্তাই করে আসছিলেন। কিন্তু, গত বছরের মে মাসে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কারা অধিদফতরের একটি সুপারিশ পাঠানো হয়।

এতে সকালের নাস্তায় সপ্তাহের দু’দিন খিঁচুড়ি, চার দিন রুটি-সবজি ও বাকি দিনগুলোতে রুটি-হালুয়া পরিবেশনের কথা বলা হয়।

সে অনুযায়ী রোববার থেকে কারা অধিদফতর দেশজুড়ে ১৩টি কেন্দ্রীয়সহ ৬৪ কারাগারে কয়েদিদের সকালের নাস্তায় এই নতুন তালিকার খাবার পরিবেশন শুরু করল।

HostGator Web Hosting