| |

সর্বশেষঃ

বাজেট নিয়ে সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

আপডেটঃ ৬:৩৪ অপরাহ্ণ | জুন ১৯, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ বলেছেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এবারের বাজেট বরাদ্দ নিয়ে সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে কিছুটা ক্ষোভ ও হতাশা রয়েছে। তবে সংশোধিত বাজেটে এ বরাদ্দ অনেকখানি বাড়বে বলে আশা করা যাচ্ছে।

বুধবার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার ২০১৯-২০ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য এ মন্ত্রণালয় বিশেষ বরাদ্দ পাবে। অধিকন্তু আগামী অর্থবছরে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বাজেট অনেক বেশি বাড়বে যা সংস্কৃতিকর্মীদের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে।

দপ্তর ও সংস্থার কাজে গতিশীলতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা এবং প্রথম হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণপূর্বক কাজ করলে কাজের মান ও গতিশীলতা অনেকখানি বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।

টিমওয়ার্কের ওপর গুরুত্বারোপ করে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজের ব্যাপারে আরো দায়িত্বশীল ও যত্নবান হতে হবে।

মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার বিবরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা অপেরা হাউস নির্মাণ প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রতি উপজেলায় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বা কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ৪০০ আসনবিশিষ্ট মিলনায়তন, ২৫০ আসনবিশিষ্ট সিনেপ্লেক্স, মুক্তমঞ্চ ও ক্যাফেটেরিয়া নির্মিত হবে যার নকশা প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন নকশা অনুযায়ী মনোমুগ্ধকর স্থাপত্যের গণগন্থাগার অধিদপ্তর ও জাতীয় জাদুঘর কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্প হতে নেয়া হয়েছে। কপিরাইট ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। জাতীয় আরকাইভস ডিজিটাইজেশন ও আধুনিকায়ন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার স্মৃতিবিজড়িত রোজ গার্ডেনে মহানগর জাদুঘর প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

HostGator Web Hosting