| |

সর্বশেষঃ

পাহাড়ি ঢলে ঝিনাইগাতীর ২৫ গ্রাম প্লাবিত

আপডেটঃ ৩:৪০ অপরাহ্ণ | জুলাই ১১, ২০১৯

শেরপুর প্রতিনিধি : গত কয়েকদিনের অবিরাম বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলের প্রায় ২৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এসব ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার কাঁচা ঘর-বাড়ি, রাস্তাঘাট, আমন ধানের বীজতলা ও পুকুরের মাছ পানিতে তলিয়ে গেছে।

ইউনিয়নগুলো হলো– ঝিনাইগাতী সদর, ধানশাইল, গৌরীপুর, হাতিবান্ধা ও মালিঝিকান্দা।

ঝিনাইগাত সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন চাঁন বলেন, ‘গত তিনদিনের বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানি মহারশি নদীর দিঘীরপাড় এলাকায় প্রবেশ করে। এতে নদীর বাঁধ ভেঙে ওই এলাকার বাসিন্দা শাহজাহানের বাড়ি-ঘরের ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া, আমার ইউনিয়নের বড়গাডুবি, কালিনগর, সারিকালিনগর, দড়িকালিনগর, দীঘিরপাড়, চতল, লঙ্কেশ্বর, পাইকুড়া, জরাকুড়া ও কোনাগাঁও গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।’

ধানশাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম জানান, পাহাড়ি ঢলে সোমেশরী নদীর পানি বেড়ে তার ইউনিয়নের নয়াপাড়া, দাড়িয়ারপাড়, কান্দুলী, মাঝাপাড়া, বাগেরভিটা প্লাবিত হয়েছে। এতে কাঁচা ঘর-বাড়ি, রাস্তাঘাট, রোপা আমন ধানের বীজতলা, পুকুরের মাছ পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি রয়েছে কিছু মানুষ।

গৌরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মন্টু জানান, মহারশি নদীর বনগাঁও এলাকার নদীর বাঁধ ভেঙে তার ইউনিয়নের জিগাতলা, বনগাঁও, খাঁপাড়া গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় আমন ধানের বীজতলা, পুকুরের মাছ পানিতে তলিয়ে গেছে।

মালিঝিকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম তোতা জানান, তার ইউনিয়নের হাঁসলিবাতিয়া, রাঙ্গামাটিয়া, দেবত্তরপাড়া, বানিয়াপাড়া, জুলগাঁও গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার আমন ধানের বীজতলা ও পুকুরের মাছ পানিতে তলিয়ে গেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, ঢলের পানিতে ১৫ হেক্টর আমন ধানের বীজতলা আংশিক নিমজ্জিত হয়েছে। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবু সিরাজুস সালেহীন বলেন, আমি বেশ কিছু এলাকা পরির্দশন করেছি। কিছু এলাকার পুকুর পানিতে তলিয়েছে।

ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল মাহমুদ বলেন, ‘দিঘীরপাড় এলাকার নদীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ওই গ্রামের শাহজাহানের বাড়ি-ঘর ক্ষতি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত সহায়তা দেওয়া হবে। এ ছাড়া, তেমন কোনও ক্ষয়-ক্ষতির খবর পাইনি।’

HostGator Web Hosting