| |

সর্বশেষঃ

কলমাকান্দায় বন্যায় প্লাবিত হয়ে ২০০ গ্রামের লোকজন পানিবন্দী

আপডেটঃ ৫:২৫ অপরাহ্ণ | জুলাই ১১, ২০১৯

কলমাকান্দা সংবাদদাতা : নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলা বিরামহীন বৃষ্টি ও পাহাড়ী ঢলে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন প্রায় ২ শত গ্রামের লোকজন। বন্যার পানি সর্বত্র ঢুকে পড়ায় সর্বস্তরের মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ অধিকতর বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি গু-খাদ্য সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে। বড়খাপন ইউপি চেয়ারম্যান হাদিছুজ্জামান হাদিছ জানান বড়খাপন ইউনিয়ন শতভাগ প্লাবিত হয়েছে। সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

ভারপ্রাপ্ত ইউএনও রুয়েল সি সাংমা জানান বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক খবরাখবর জেলা প্রশাসক মহোদয়কে সার্বক্ষণিকভাবে অবহিত করা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসন শুকনো খাবার বরাদ্দ প্রদান করেছেন।

মাননীয় প্রাধানমন্ত্রী হাওড় অধ্যুষিত নেত্রকোণার খালিয়াজুড়ি উপজেলাসহ ১৬টি উপজেলাকে বিশেষ দুর্গম, ক্ষতিগ্রস্থ হাওড় অঞ্চল ঘোষণা করলেও হাওড় ও গারো পাহাড়ের নদ-নদী ব্যষ্টিত কলমাকান্দা উপজেলাকে উক্ত সুবিধা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

কলমাকান্দা উপজেলায় ৮টি ইউনিয়নের মধ্যে লেঙ্গুরা, খারনই ও রংছাতি ইউনিয়ন গারো পাহাড়ের নদ-নদীর পানিবাহিত বন্যার সৃষ্টি করে এবং নাজিরপুর, কৈলাটি, কলমাকান্দা, পোগলা ও বড়খাপন ইউনিয়নসমূহ সুনামগঞ্জ জেলার উব্দি পানি ও পাহাড়ী ঢলের পানি জমে সারা উপজেলা প্লাবিত হয়ে যায়।

নেত্রকোণা-১ আসনের সাংসদ মানু মজুমদার কলমাকান্দা উপজেলা হাওড়, জলাভূমি ও গারো পাহাড় ব্যষ্টিত দুর্গম উপজেলা বিধায় কলমাকান্দা উপজেলাকে দুর্গম হাওড় অঞ্চল হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জোড় দাবি জানান। ি

তনি এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একান্ত দৃষ্টি কামনা করেন। উক্ত সংবাদ লিখা পর্যন্ত উপজেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।

HostGator Web Hosting