| |

সর্বশেষঃ

হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়ায় নিম্নাঞ্চলের চার শতাধিক পরিবার পানিবন্দি

আপডেটঃ ৮:৪৭ অপরাহ্ণ | জুলাই ২২, ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম : টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে নিতাই তীর ভেঙে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। এতে হালুয়াঘাট উপজেলার নড়াইল, বিলডোরা, শাকুয়াই ইউনিয়নসহ ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে বন্যার পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে। বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে উপজেলার প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষ। ফলে শত শত পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। শতাধিক হেক্টর আমনের বীজতলা তলিয়ে হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৪ শতাধিক পরিবার। অন্যদিকে ধোবাউড়া উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া, গামারীতলা, পোড়াকান্দুলিয়া, ঘোঁষগাও, গোয়াতলা এবং ধোবাউড়া সদর ইউনিয়নের কিছু অংশেও বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৩ শতাধিক পরিবার। সরেজমিন বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, হালুয়াঘাট উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে উপজেলার প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষ। টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্টি হওয়া আকস্মিক বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন প্রত্যান্ত গ্রামাঞ্চলের জনসাধারণ।

ধোবাউড়া উপজেলার পোড়াকান্দুলিয়া ইউনিয়নের বহরভিটা, কালিনগর,উদয়পুর, রাউতি, মানিকপুর আঠাম, পাতামসহ বেশ কিছু গ্রামে শতাধিক পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নে সোহাগীপাড়া, খাগগড়া, পঞ্চনন্দপুর, কালিকাবাড়িসহ বিভিন্ন গ্রামে অর্ধশতাধিক পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। নেতাই নদীর বাঁধ ভেঙে কয়েকটি ঘর পানিতে ভেসে গেছে। দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। এতে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সাধারণ মানুষ। হুমকির মুখে রয়েছে বেশ কয়েকটি বাড়ি।
ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী হালুয়াঘাট ও ধোবাউড়া উপজেলায় টানা বর্ষণে পাহাড়ি ঢলে এই বন্যার সৃষ্টি হয়েছে। ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে কয়েকটি ঘর। বন্যার পানিতে ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। পানি উঠে যাওয়ায় বন্ধ রয়েছে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। উপজেলার দুধনই রাউতি রাস্তায় খালের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া প্রবল স্রোতে রাস্তাটি ভেঙে যায়। এতে সাধারণ মানুষের চলাচল করতে পারছে না।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওমর ফারুক জানান, প্রায় ২০০ হেক্টর বীজতলা পানির নিচে নিমজ্জিত রয়েছে।
ধোবাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ডেভিড রানা চিসিম জানান, আমি বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেছি, পানিবন্দি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে এবং ত্রাণের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, পানিবন্দি লোকদের নিরাপদ আশ্রয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে, পানি শুকিয়ে গেলে যেসব স্থানে ভাঙনের দেখা দিয়েছে সেগুলো সংস্কার করা হবে।

HostGator Web Hosting