| |

সর্বশেষঃ

অবিলম্বে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন : ফখরুল

আপডেটঃ ৬:৪৩ অপরাহ্ণ | আগস্ট ০৪, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : অনির্বাচিত সরকারে যারা আছেন, গায়ের জোরে, বন্দুকের জোরে যারা ক্ষমতায় বসে আছেন তাদের কাছে পরিষ্কার করে বলতে চাই, সময় শেষ হওয়ার আগেই এই সংসদ বাতিল করুন। এই নির্বাচন বাতিল করুন। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় এদেশের জনগণ জানে কীভাবে এ ধরনের সরকারকে পরাজিত করতে হয়।

রোববার (৪ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলরুমে বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একথা বলেন।

কঠিন অবস্থার মধ্যে বাস করছি উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, ৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা যে গণতান্ত্রিক সমাজের স্বপ্ন দেখেছিলাম সে স্বপ্নটা পুরোপুরি ভেঙে দিয়েছে। ৯০ সালে পুনরায় হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে এনেছিলাম সেটাকেও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এখন একটি ভয়াবহ রকমের দানবীয় শক্তি যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, জনগণের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন না, তারা আমাদের ওপরে চেপে বসেছে।

‘খালেদা জিয়া ন্যূনতম ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিচার ব্যবস্থাকে পুরোপুরিভাবে এই অপশক্তি নিয়ন্ত্রণ করছে। এক এগারোর মূল মিশনটাই ছিল বাংলাদেশকে বিরাজনীতিকীকরণ করা। এখানে কোনো রাজনীতি থাকবে না, রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। সেই ধারাবাহিকতায় আজ আওয়ামী লীগের সরকার সেটা বাস্তবায়ন করছে। আজ এদেশে কোনো রাজনীতি নেই। এই আওয়ামী লীগ ১৯৭৫ সালে সব পত্রিকা বন্ধ করে দিয়ে সব রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করেছিল। আজ ভিন্ন আঙ্গিকে একদলীয় শাসন বাস্তবায়ন করেছে।’

দলীয় কর্মীদের হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পৃথিবীতে কোনো স্বৈরাচারী সরকারই দীর্ঘসময় টিকে থাকতে পারেনি। আওয়ামী লীগও পারেনি। এবারও পারবে না। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। হতাশা কাটিয়ে জনগণকে নিয়ে আমাদের মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এদের পরাজিত করতে হবে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিদেশে যাওয়ার আগে বললেন, এডিস মশা নাকি অনেকটা রোহিঙ্গাদের মতো। কত বড় অমানবিক হলে একজন মন্ত্রীর মুখ থেকে এমন কথা আমরা শুনতে পারি। পরে মালয়েশিয়া গেলেন, কেন গেলেন জানি না। সেখান থেকে আসার পরে আবার বললেন, তিনি জানেন না ডেঙ্গুতে কত জন মারা গেছে। আজকের পত্রিকায় দিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, ১৬শ/১৭শ জন আক্রান্ত হয়েছে।

ড্যাবের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এ আলোচনাসভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ড্যাবের সাবেক মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সিরাজউদ্দীন আহমেদ, অধ্যাপক ডা. আব্দুল কুদ্দুস, ড্যাবের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. আব্দুস সালাম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গণি চৌধুরী, বিএনপির সহ-প্রচার সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম প্রমুখ।

HostGator Web Hosting