| |

সর্বশেষঃ

চামড়া নিয়ে অপরাজনীতি করতে চেয়েছিল বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী

আপডেটঃ ৭:৫১ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১৭, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকার চামড়া সিন্ডিকেটের বিষয়ে পূর্ণ তদন্ত করছে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ অভিযোগ করছেন, চামড়া নিয়ে অপরাজনীতি করতে চেয়েছিল বিএনপি। শনিবার ( ১৭ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে চামড়া রফতানি ৪০০ মিলিয়ন ডলার থেকে সব মিলিয়ে ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। দেশে গত দশবছরের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ার কারণে পশু কোরবানি দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে, আগের ৩০-৪০ লাখ পশু কোরবানি হতো, সে জায়গায় এখন প্রায় ১ কোটি পশু কোরবানি হয়। সে তুলনায় ট্যানারির সংখ্যা বৃদ্ধি ঘটেনি, যদিও অনেক চামড়াশিল্প প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বেড়েছে, কিন্তু পরিবেশবান্ধবতা নিশ্চিত করার বাধ্যবাধকতায় বেশকিছু ট্যানারি বন্ধও হয়ে গেছে। এবারের ঈদে এ অবস্থারই সুযোগ নিতে চেয়েছিল কিছু মুনাফালোভীরা। সেকারণেই চামড়ার দরপতন হয়। আর বিএনপি চেয়েছিল এটা নিয়ে অপরাজনীতি করতে। কিন্তু তারা সফল হয়নি, সরকার সিন্ডিকেটের বিষয়টি পূর্ণ তদন্ত করছে।

বিএনপি’কে তাদের চেয়ারপারসনের জন্মের তারিখ ঠিক করার অনুরোধ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী প্রশ্ন বলেন, এবার বিএনপি খালেদা জিয়ার জন্মদিনের কেক ১৫ আগস্ট কাটেনি, জন্মদিন একই রেখে কেক কেটেছে পরদিন । জাতীয় শোক দিবসে জন্মদিনের নামে কেককাটা উৎসবের কারণে তারা জনগণের যে ব্যাপক ঘৃণার সম্মুখীন হয়েছে, সেটিই এই পরিবর্তনের কারণ। আমি তাদের অনুরোধ করবো, আপনারা বিএনপিনেত্রীর জন্মদিনটি ঠিক করুন। যে দলের চেয়ারপারসনের জন্মতারিখ ঠিক নেই, সে দল কিভাবে এগুবে!’

হাছান মাহমুদ এসময় বিএনপি মহাসচিবের ‘পাটশিল্প ধ্বংসের জন্য আওয়ামী লীগ দায়ী’ এমন মন্তব্যের জবাবে বলেন, ‘মির্জা ফখরুলের মিথ্যাচার গোয়েবলসকেও ছাড়িয়ে গেছে। আদমজী জুট মিলস বন্ধ করেছিল বিএনপিই। দেশের পাটকলগুলোও ১৯৯১ ও ২০০১ সালে দু’মেয়াদে খালেদা জিয়া ও বিএনপি বন্ধ করে দেয়। আর আওয়ামী লীগ সরকার পাটকলগুলো শুধু নতুন করে চালুই করেনি, শ্রমিকদেরকে এগুলোর মালিকানারও অংশীদারিত্ব দেয়। ফখরুল সাহেবের মিথ্যাচারে কবরেও গোয়েবলস লজ্জা পাবে বলে মনে হয়।’

মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার সম্পূর্ণ হয়নি কারণ, পলাতক খুনি, বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের কুশীলব ও সর্বোপরি সেই হত্যার পটভূমি তৈরিকারকদের বিচার এখনও হয়নি। এজন্য একটি কমিশন গঠন করে বিচার সম্পন্ন করা উচিত, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও ন্যায়বিচারপ্রতিষ্ঠার উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরামের আহ্বায়ক ও ডিবিসি ২৪ টিভি চ্যানেলের চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক প্রকৌশলী আব্দুস সবুর, জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগের সভাপতি এম এ জলিল, প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, রফিকুল ইসলাম রতন, সাংবাদিক নেতা মঞ্জুরুল ইসলাম বুলবুল, কুদ্দুস আফ্রাদ, আজিজুল ইসলাম ভুঁইয়া, ওমর ফারুক, মোজাম্মেল হক প্রমুখ।

HostGator Web Hosting