| |

সর্বশেষঃ

ময়মনসিংহে ওটিতে গারো তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা : ক্লিনিক মালিক গ্রেফতার

আপডেটঃ ৭:৪৩ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১৯, ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম : ময়মনসিংহ নগরীর ব্রাহ্মপল্লী এলাকায় পদ্মা জেনারেল (প্রা:) হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে এক গারো তরুণীকে নার্সের চাকরি দেয়ার কথা বলে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে প্রাইভেট ক্লিনিকের মালিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ । ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ক্লিনিক ম্যানেজার সোহেল রানা আলম পলাতক রয়েছে।
এ ঘটনায় ওই নির্যাতিতা তরুণী বাদি হয়ে পদ্মা জেনারেল হাসপাতালের ম্যানেজার আলম মিয়া ও ক্লিনিক মালিক মজিবুর রহমান বাবুলের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ জানায়, রোববার (১৮ আগস্ট) বিকেলে নগরীর ব্রাহ্মপল্লী এলাকায় পদ্মা জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চাকুরি দেয়ার কথা বলে পাঁচ গারো তরুণীকে ডেকে নিয়ে যায়। তাদের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে এক তরুণীকে অপারেশন থিয়েটার (ওটি) রুম দেখানোর কথা বলে দোতলায় একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে ম্যানেজার সোহেল রানা আলম। পরে সহপাঠীরা উপরে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা হাসপাতাল ঘেরাও করে।
এ সময় বাকী চার তরুণী তাৎক্ষনিক প্রতিবাদী হলে বিষয়টি আপোষ মিমাংসার চেষ্টা চালায় হাসপাতাল মালিক মজিবুর রহমান বাবুল। এরই মধ্যে পালিয়ে যায় ধর্ষণ চেষ্টাকারী ম্যানেজার আলম মিয়া। ঘটনার পর পুলিশ তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে হাসপাতালের মালিক মজিবুর রহমান বাবুলকে আটক করে।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন গারো সম্প্রদায়ের নেতারা।
ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অরণ্য- ই চিরান বলেন, অভিযুক্ত আসামীর বিরুদ্ধের আমরা দৃষ্টন্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। মূল আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। ২০০৯ সালে নগরীর ব্রাহ্মপল্লী এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে ওই হাসপাতালটি চালু করা হয়। শুরু থেকেই এখানে ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করছেন সোহেল রানা আলম। তার বিরুদ্ধে এরকম আরো অভিযোগ রয়েছে বলে জানান স্থানীয়রা।

HostGator Web Hosting