| |

সর্বশেষঃ

রোহিঙ্গাদের এনআইডি : ইসি কর্মচারীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেটঃ ২:৩১ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির চেষ্টা এবং ল্যাপটপ গায়েব করার ঘটনায় গ্রেফতার চট্টগ্রাম নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের কর্মচারীসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে নগরের ডাবলমুরিং থানা নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা পল্লবী চাকমা বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় এ মামলা করেন।

কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন জানান, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং নির্বাচন কমিশন আইনে মামলাটি করা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন- চট্টগ্রাম নগরের ডাবলমুরিং থানা নির্বাচন অফিসের অফিস সহায়ক মো. জয়নাল আবেদীন (৩৫), তার সহযোগী চালক বিজয় দাস (২৬) ও তার বোন সীমা দাস (২৪) ওরফে সুমাইয়া। সীমা দাস চট্টগ্রাম সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আয়া। বাকি দুই আসামির নাম তদন্তের স্বার্থে পুলিশ গোপন রেখেছে।

এর আগে সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনির হোসাইন।

তিনি বলেন, ডাবলমুরিং থানা নির্বাচন অফিসের এক কর্মচারীসহ তিনজনকে আটকের পর গতকাল সারারাত বিষয়টি নিয়ে কাজ হয়েছে। নির্বাচন কর্মকর্তা পল্লবী চাকমার দায়ের করা মামলায় ওই তিনজনসহ পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে বাকি দুজনের নাম এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে। ওই দুজন আটক হলে জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে রোহিঙ্গাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) পাইয়ে দেয়া চক্রটির মূল হোতাদের চিহ্নিত করা যাবে বলে আশা করছি।

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান বলেন, হাটহাজারী থেকে জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র নিতে আসা রোহিঙ্গা নারী লাকি আক্তারকে শনাক্তের পর জানা যায়, আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসের কেউ কেউ এর সঙ্গে জড়িত। পরে অনুসন্ধান চালিয়ে গত তিন দিনে চট্টগ্রাম-কক্সবাজারসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়।

তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ডাবলমুরিং থানার অফিস সহায়ক জয়নাল আবেদীনকে আটক করা হয়েছে। পরে তার সহায়তায় বিজয় দাস ও তার বোন সীমা দাসকেও আটক করা হয়। এ সময় জয়নাল আবেদীনের হেফাজতে থাকা নির্বাচন কমিশনের লাইসেন্স করা একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

HostGator Web Hosting