| |

সর্বশেষঃ

ফার্মাসিটিক্যাল সেক্টরকে কাজে লাগালে অর্থনীতির ভিত আরও মজবুত হবে : স্পিকার

আপডেটঃ ৫:৩৮ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, জাতীয় অর্থনীতিতে ফার্মাসিটিক্যাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর। বাংলাদেশের দক্ষ ফার্মাসিস্টরা স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। ফার্মাসিটিক্যাল সেক্টরকে কাজে লাগাতে পারলে দেশের অর্থনীতির ভিত আরও মজবুত হবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় ফার্মাসি কাউন্সিল অব বাংলদেশ আয়োজিত ‘পলিসি ডায়ালগ অন গুড ফার্মাসি প্রাকটিস ইন হসপিটাল ফার্মাসি সেটিংস অব বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ডাক্তার ও ফার্মাসিস্টদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের মূল দর্শন মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়া। সারাদেশে ১৪ হাজারের বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করা হয়েছে। যার প্রত্যেকটি থেকে ৬ হাজার জনকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ৩২ প্রকারের ওষুধ বিনামূল্যে দেয়া হচ্ছে। এছাড়াও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাধ্যমে তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, চিকিৎসকদের সাফল্যে বাংলাদেশকে গর্বিত করে। দেশের হাসপাতালগুলোতে দক্ষ ফার্মাসিস্ট নিয়োগের মাধ্যমে ওষুধ নিয়ে বিভ্রান্তি ও ওষুধের ভুল প্রয়োগের হার কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।

স্পিকার আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী ওষুধের গবেষণা, উৎপাদন, বিপণন এবং প্রয়োগের ক্ষেত্রে ফার্মাসিস্টরা তাদের নিরলস প্রচেষ্টা, ঐকান্তিক শ্রম এবং মেধা প্রয়োগের মাধ্যমে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশে বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী সিদ্ধান্তের ফলে ওষুধ শিল্পের বিকাশে এক আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। বর্তমানে দেশের চাহিদার ৯৮ শতাংশ ওষুধ দেশে উৎপাদন হচ্ছে এবং বিশ্বের অনেক দেশে ওষুধ রফতানি হচ্ছে।

বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলামের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসিবে বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর এমিরেটাস ড. এ কে আজাদ চৌধুরী, ডিরেক্টরেট জেনারেল অব হেলথ সার্ভিসেসের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. আবুল কালাম আজাদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশে আবাসিক প্রতিনিধি বর্ধন জং রানা, চট্টগ্রাম মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ইসমাইল খান, ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর ড. খান আবুল কালাম আজাদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভিসি প্রফেসর ডা. মো. শহিদুল্লাহ শিকদার, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মোসাদ্দেক হোসেন বক্তব্য রাখেন।

HostGator Web Hosting