| |

সর্বশেষঃ

  • মুজিব বর্ষ

আহত বানরদের সুচিকিৎসা দিতে লিগ্যাল নোটিশ

আপডেটঃ ১:২৬ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ০৯, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বন্যপ্রাণিদের সুরক্ষায় বৈদ্যুতিক সংযোগ বন্ধ ও আহত বানর গুলোকে সুচিকিৎসা দিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পিপল ফর অ্যানিমেল ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশনের পক্ষে ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান এ নোটিশ পাঠান।

সরকারের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ১০ জনের প্রতি এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকমসহ বিভিন্ন পত্রিকায় “অসহায় বন্যপ্রাণি বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ঝলসে যাচ্ছে ” শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে এই নোটিশ পাঠানো হয়।

আইনজীবী জানান, নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বানরের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে।

গত ৭ জানুয়ারি পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া সন্তোষপুর বনাঞ্চলে পল্লী বিদ্যুতের কভারবিহীন তারে ঝলসে আহত হচ্ছে বানর। এক সপ্তাহে ৮-১০টি বানরের হাত, পা, মুখ ও শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে গুরুতর আহত হয়েছে। এরপরও পদক্ষেপ না নেয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে বনাঞ্চলের প্রাণিরা।

বনের দায়িত্বে থাকা বিট কর্মকর্তা বলছেন, বিদ্যুৎ বিভাগের খামখেয়ালিপনা আর খোলা তারে বিদ্যুৎ সংযোগের কারণেই ঘটছে এ দুর্ঘটনা। যদিও বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি নিয়ম মেনেই সংযোগ দেয়া হয়েছে বনের ভেতর।

মধুপুর বনাঞ্চল ঘেঁষা ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ও নাওগাঁও ইউনিয়নের প্রায় ৮৬৩ দশমিক ১৪ একর জায়গা জুড়ে রয়েছে প্রাকৃতিক বনাঞ্চল। একসময় এ বনে হরিণ, ভাল্লুক, হনুমান, সজারু ও বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণির অভয়ারণ্য ছিল। প্রাকৃতিক নানা কারণসহ গাছ কেটে বন উজাড় করায় দিনদিন এসব বন্যপ্রাণি হারিয়ে যেতে বসেছে। বর্তমানে এ বনে প্রায় সাড়ে তিনশ বানর রয়েছে। বানরগুলো প্রায়ই লোকালয়ে অবাধ বিচরণ করছে।

গেল ১৫ ডিসেম্বর সন্তোষপুর বনাঞ্চলের আশপাশে ও বিট অফিসে পল্লী বিদ্যুতের নতুন সংযোগ উদ্বোধন করা হয়। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য মোসলেম উদ্দিন বন্যপ্রাণির অবাধ বিচরণের কথা মাথায় রেখে খোলা তারে সংযোগের পরিবর্তে কভারিং তার ব্যবহারের নির্দেশ দেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিকে। কিন্তু তা আমলে নেয়নি পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা। ফলে বনের ভেতর দিয়ে টানা বিদ্যুৎ সংযোগের খোলা তারে জড়িয়ে গেল সপ্তাহে ঝলসে যায় ৮-১০টি বানরের হাত-পা, মুখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যুৎ বিভাগের খামখেয়ালিপনা আর খোলা তারে বিদ্যুত সংযোগের কারণেই ঘটছে এ দুর্ঘটনা। এছাড়া বানরের খাবার সংকট তো রয়েছেই।

HostGator Web Hosting