| |

সর্বশেষঃ

  • মুজিব বর্ষ

মুরগির দাম শুনে মলিন মুখে ফিরছেন ক্রেতারা

আপডেটঃ 3:24 pm | May 19, 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক : কয়েক দিনের ব্যবধানে রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে পোল্ট্রি মুরগির দাম প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে কেজি ১৮০ টাকা ছুঁয়েছে। খুচরার পাশাপাশি ফার্মেও পোল্ট্রি মুরগির দাম বেড়েছে। কয়েক দফা দাম বেড়ে এখন ফার্মে দ্বিগুণের বেশি দামে পেল্ট্রি মুরগি বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে হঠাৎ মুরগির লাগামহীন দাম শুনে হতাশা হয়ে ফিরে যাচ্ছেন অনেক ক্রেতা। রাজধানীর হাজীপাড়া বাজারে ফাতেমা নামে এক ক্রেতা বলেন, অনেক দিন মাংস খাওয়া হয়নি। তাই একটা মুরগি কিনতে এসেছিলাম। কিন্তু ১৮০ টাকা কেজি চাচ্ছে। এত দাম দিয়ে মুরগি কেনা আমাদের জন্য খুব কষ্টের।

খুচরা ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, দেশ করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হলে পোল্ট্রি মুরগির চাহিদা ব্যাপক হারে কমে যায়। ফলে দামও কমে। করোনার আগে ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পোল্ট্রি করোনার শুরুতে ১১০ টাকায় নেমে আসে। তবে রোজার শুরুতে কিছুটা দাম বাড়ে। এতে ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হতে থাকে পোল্ট্রি মুরগি।

বেশ কিছুদিন এই দাম স্থির থাকার পর চলতি মাসের ৮ তারিখে এক লাফে পোল্ট্রির দাম কেজিতে ৩০ টাকা বেড়ে ১৬০ টাকা হয় যায়। এরপর ১২ মে কিছুটা দাম কমে ১৪০ টাকায় নামে। তবে ১৫ মে আবার দাম বেড়ে কেজি ১৭০ টাকায় পৌঁছে যায়। এখন তা আরও বেড়ে ১৮০ টাকা ছুঁয়েছে।

খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, পাইকারিতে পোল্ট্রি মুরগির দাম যে হারে বাড়ছে তাতে ঈদের আগে হয়তো কেজি ২০০ টাকা হয়ে যাবে। কারণ এখন গরু ও খাসির মাংসের অনেক দাম। ফলে স্বল্প আয়ের মানুষের পক্ষে গরু ও খাসির মাংস কিনে খাওয়া সম্ভব না। ফলে ঈদের দুই-তিনদিন আগে পোল্ট্রি মুরগির চাহিদা আরও বেড়ে যাবে।

হঠাৎ পোল্ট্রি মুরগির অস্বাভাবিক দাম বাড়ার কারণ হিসেবে উৎপাদকরা জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের শুরুতে ব্রয়লার মুরগির চাহিদা ব্যাপক হারে কমে যায়। এতে ফার্ম মালিকরা লোকসানে কম দামে মুরগি বিক্রি করেন। যে কারণে তারা নতুন বাচ্চা উৎপাদনে যাননি। আগের যে বাচ্চা ছিল এখন সেই বাচ্চা বড় করে বিক্রি করা হচ্ছে। ফলে ব্রয়লার মুরগির সরবরাহ কমেছে।

HostGator Web Hosting