| |

সর্বশেষঃ

ওসি প্রদীপসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যার অভিযোগ

আপডেটঃ 4:46 pm | August 12, 2020

বিশেষ সংবাদদাতা : কক্সবাজারের মহেশখালীর বহুল আলোচিত আবদুস সাত্তার হত্যার ঘটনায় ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি হত্যা মামলার অভিযোগ করা হয়েছে। প্রদীপ কুমার দাশ এক সময় মহেশখালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছিলেন।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে মহেশখালীর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে লিখিত অভিযোগ করেছেন ভিকটিম আবদুস সাত্তারের স্ত্রী হামিদা আক্তার (৪০)। আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হলেও বিকেল ৪টা পর্যন্ত কোনো আদেশ দেননি।

আদালতে করা অভিযোগে সাবেক ওসি প্রদীপ ছাড়াও পুলিশের পাঁচ সদস্যকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন, এসআই হারুনুর রশীদ, এসআই ইমাম হোসেন, এএসআই মনিরুল ইসলাম, এএসআই শাহেদুল ইসলাম ও এএসআই আজিম উদ্দিন।

অভিযোগে ২৯ জনের মধ্যে প্রধান আসামি করা হয়েছে ফেরদৌস বাহিনীর প্রধান ফেরদৌসকে (৫৬)। তিনি একই এলাকার মৃত নুরুল কবিরের ছেলে।

ভিকটিম আবদুস সাত্তার হোয়ানক পূর্ব মাঝেরপাড়ার মৃত মৃত নুরুচ্ছফার ছেলে।

অভিযোগকারী হামিদা আক্তার জানান, ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টার দিকে ফেরদৌস বাহিনীর সহায়তায় হোয়ানকের লম্বাশিয়া এলাকায় তার স্বামী আবদুস সাত্তারকে হত্যা করা হয়।

এ ঘটনায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা নেয়নি। পরে উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি। রিট পিটিশন নং-৭৭৯৩/১৭ মূলে ‘ট্রিট ফর এফআইআর’ হিসেবে গণ্য করতে আদেশ দেন বিচারক।

আদালত সূত্র জানায়, হামিদা বেগমের করা রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ২০১৭ সালের ৭ জুন আদেশ দেন। এতে বলা হয়, হামিদা বেগম এজাহার দাখিল করলে মহেশখালী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তা তাৎক্ষণিক গ্রহণ করতে হবে। এ আদেশ প্রত্যাহার চেয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) পক্ষে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

অন্যদিকে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্র সচিবের (জননিরাপত্তা বিভাগ) পক্ষে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়। এ আবেদনের শুনানি নিয়ে ২০১৮ সালের ১৩ মে আপিল বিভাগ আদেশ দেন। এতে রুল ইস্যু না করে এজাহার গ্রহণ করতে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বাতিল করা হয়। একই সঙ্গে ওই রিটটি মামলা হিসেবে নতুন করে শুনানি করতে বলা হয়।

এদিকে ওই সময় হাইকোর্টে রিট পিটিশনকারী অ্যাডভোকেট রাশেদুল হক খোকন জানান, উচ্চ আদালত থানায় মামলাটি করার নির্দেশ দেন। কিন্তু পরে আইজিপির পক্ষ থেকে আদেশ স্থগিতের আবেদনের প্রেক্ষিতে তা স্থগিত করেন উচ্চ আদালত।

HostGator Web Hosting