| |

সর্বশেষঃ

আসমি-বাংলাদেশ প্রকল্পের বার্ষিক কর্মশালায় কৃষিমন্ত্রী

বাংলাদেশে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ বাস্তবায়ন করতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে কৃষি প্রকৌশল উইং স্থাপন করা হয়েছে

আপডেটঃ 3:31 pm | September 23, 2020

বিশেষ সংবাদদাতা : Appropriate Scale Mechanization Innovation Hub (ASMIH)-Bangladesh নামে একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় কৃষি যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং গবেষণা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা রক্ষার পথ সুগম করতে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত, ফলাফল, সাফল্য, সীমাবদ্ধতা, অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যত সম্ভাবনা ইত্যাদি দেশে ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অবহিতকরণের উদ্দেশ্যে ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ খ্রি. বুধবার  ASMIH-Bangladesh Virtual Annual Workshop 2020 চলমান বৈশ্বিক কোভিড-১৯ মহামারীর ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি বিবেচনায় অনলাইনভিত্তিক জুম প্লাটফর্মে (Zoom Online platform) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বার্ষিক কর্মশালার প্রথম পর্বে Appropriate Scale Mechanization Innovation Hub (ASMIH)-Bangladesh: A Sustainable Approach বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রফেসর ড. মো: মঞ্জুরুল আলম, প্রকল্প পরিচালক, আসমি-বাংলাদেশ প্রকল্প ও প্রফেসর, কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ। তিনি তাঁর প্রবন্ধে উল্লেখ করেন- আসমি প্রকল্প গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের জন্য লাগসই আধুনিক ধানের চারা রোপণের যন্ত্র বা রাইস ট্রান্সপ্লান্টার, ধান কর্তনের যন্ত্র রিপার ও কম্বাইন হারভেস্টার, মাটির গুনাগুন রক্ষাকারী কৃষি যন্ত্র (বীজ বপন যন্ত্র, বেড প্লান্টার) এবং এক্সিয়াল ফ্লো পাম্প ও সোলার পাম্প  চিহ্নিত করে কৃষক পর্যায়ে এর ব্যবহার উৎসাহিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সময় ও খরচ সাশ্রয়ী এবং কম শ্রমিক প্রয়োজন হয় বিধায় এসব যন্ত্র ব্যবহারের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ দারুনভাবে বাড়ছে। বাংলাদেশ সরকারের কৃষি যান্ত্রিকীকরণ কার্যক্রমকে বেগবান করতে আসমি প্রকল্প কৃষকের মাঠে যন্ত্রপাতি চালনা, রক্ষণাবেক্ষন, মেরামত ও এ সংক্রান্ত ব্যবসা সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের কাছে প্রযুক্তিসমূহ পরিচিতকরণসহ যন্ত্রগুলোর সফল ও দীর্ঘমেয়াদী প্রচলনের  উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তিনি প্রবন্ধের সুপারিশমালায় কৃষি যন্ত্রপাতির স্থানীয় সেবা প্রদানকারী, অপারেটর, মেকানিক ও স্থানীয় ওয়ার্কশপের পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষন, ব্যবসা ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বৃদ্ধি; সমগ্র মৌসুম জুড়ে স্থানীয় সেবা প্রদানকারীদের পরামর্শ প্রদান; পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, টেকনিকেল স্কুল ও কলেজ (টিএসসি) ও টেকনিকেল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসি) গুলোতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের উপর ডিপ্লোমা ও কোর্স চালুকরণ ও শক্তিশালীকরণ; আবশ্যিকভাবে কৃষি যন্ত্রপাতি বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের দ্রæত ও কার্যকর বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান; দেশব্যাপি জিআইএস ম্যাপিং এর মাধ্যমে লাগসই কৃষিযন্ত্র প্রবর্তন ও সেবা প্রদানের গতিশীলতার কৌশল চিহ্নিতকরণ; সরকারী-বেসরকারী ব্যাংক হতে কৃষি যন্ত্রপাতির ক্ষেত্রে অন্তত: ১৫% ঋণ বিতরণে স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান এবং বাংলাদেশ সরকারের কার্যকর ও সফল কৃষি যান্ত্রিকীকরণ কৌশল বাস্তবায়নের জন্য অতি দ্রæত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে কৃষি প্রকৌশলী নিয়োগ প্রদানের বিষয় উল্লেখ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক, এমপি বলেন, কৃষি উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণে খামার যান্ত্রিকীকরণ একটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে দাড়িয়েছে। বাংলাদেশের কৃষি কাজের প্রতিটি ধাপে লাগসই কৃষি যন্ত্রের প্রয়োগ খুবই জরুরী হয়ে পড়েছে। ধান উৎপাদনে রোপনের সময় শ্রমিক সংকটসহ শ্রমিকের বাড়তি মজুরী ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ একদিকে যেমন উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি করে অপরদিকে উৎপাদন ব্যাহত করে। আরেকদিকে, আমাদের দেশে সনাতন পদ্ধতিতে অসংখ্য শ্রমিকের কাঠোর পরিশ্রমে, বহু শ্রম ঘন্টার বিনিময়ে ধান কাটা, মাড়াই-ঝাড়াই করা হয়। এরপরেও ফসল কাটার মৌসুমে ঝড়, শিলাবৃষ্টি, পাহাড়ী ঢল ও অকাল বন্যার শঙ্কা থাকে। ফলে সৃষ্টি হয় শ্রমিকের তীব্র সংকট, মজুরী বেড়ে যায় কয়েকগুন; ধানের উৎপাদন খরচ বেড়ে যায় এবং সমূহ ক্ষতির মুখে পড়ে কৃষক। লাভজনক কৃষির জন্য ভৌগলিক অবস্থার প্রেক্ষিতে কৃষিপরিবেশ অঞ্চল ভিত্তিক একেক এলাকায় একেক ধরনের কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার করতে হবে। ইতোমধ্যে আমরা “জাতীয় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ নীতিমালা ২০২০” প্রণয়ন করেছি যা আগামীদিনে বাংলাদেশে খাদ্যশস্য উৎপাদনে পথ প্রদর্শন করবে। সম্প্রতি বাংলাদেশে লাগসই কৃষি যন্ত্রপাতি জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র দুরদৃৃষ্টিসম্পন্ন নির্দেশনায় ৩০২০ কোটি টাকার একটি মেগা প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে যেখানে বিশেষ ভর্তূকির ভিত্তিতে কৃষকদের মাঝে চারা রোপণের যন্ত্র বা ট্রান্সপ্লান্টার, কর্তনের যন্ত্র রিপার ও কম্বাইন হারভেস্টার, মাটির গুনাগুন রক্ষাকারী বীজ বপন যন্ত্র এবং শস্য শুকানো যন্ত্রসহ প্রয়োজনীয়তার নিরিখে অন্যান্য যন্ত্র প্রদান করা হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের কৃষকদের জন্য লাগসই কৃষি যন্ত্রপাতি যেমন, ট্রান্সপ্লান্টার, কম্বাইন হারভেস্টার ও মাটির গুনাগুন রক্ষাকারী বীজ বপন যন্ত্র ইত্যাদি কৃষি যন্ত্রপাতি চিহ্নিতকরণে সম্ভাব্য সমাধান হতে পারে আসমি প্রকল্প। তিনি বলেন, বাংলাদেশে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ বাস্তবায়ন করতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে কৃষি প্রকৌশল উইং স্থাপন হয়েছে। সেখানে কৃষি প্রকৌশলীরা সফলভাবে কাজ করে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন- বাংলাদেশ আগামী দিনে শুধুমাত্র আমদানীকৃত কৃষি যন্ত্রপাতির উপর নির্ভর না করে বরং আভ্যন্তরীন চাহিদা মিটিয়ে কৃষি যন্ত্রপাতির রফতানীকারক দেশে পরিনত হবে। এক্ষেত্রে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সরকারী সম্প্রসারণ প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে একত্রে যৌথভাবে লাগসই দেশীয় কৃষি যন্ত্রপাতি উদ্ভাবনে গবেষণা, উদ্ভাবিত যন্ত্রের উন্নয়ন ও জনপ্রিয়করণের কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান, বিশেষ অতিথি হিসেবে আমেরিকার কানসাস স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের Professor Dr. P. V. Vara Prasad, Director, Feed the Future Innovation Lab for Collaborative Research on Sustainable Intensification (SIIL), এবং আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয়ের Professor Dr. Prasanta Kumar Kalita, Director, Appropriate Scale Mechanization Consortium (ASMC) সেশন চেয়ার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

দ্বিতীয় পর্বে Appropriate Scale Mechanization: A Key to Sustainable Food Security in Bangladesh বিষয়ে প্যানেল আলোচনায় বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অর্থনীতি বিভাগের এমিরিটাস প্রফেসর ড. এম. এ. সাত্তার মন্ডল, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এর প্রাক্তন চেয়ারম্যান ড. ওয়ায়েস কবীর,  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রাক্তন মহাপরিচালক মো: হামিদুর রহমান, এসিআই এগ্রি বিসনেস, বাংলাদেশ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. এফ. এইস. আনসারী, আসমি-বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মঞ্জুরুল আলম উপস্থিত ছিলেন। এপর্বে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন আসমি-বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী পরিচালক ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি শক্তি ও যন্ত্র বিভাগের প্রফেসর ড. চয়ন কুমার সাহা। কর্মশালার সমাপনী উপসংহার টেনেছেন – বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: জসিম উদ্দিন খান এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো: নাজিরুল ইসলাম। আলোচনা শেষে বিশেষজ্ঞ আলোচকগণ একমত পোষন করেন যে, সম্মিলিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের যৌথ কর্মসূচির মাধ্যমে লাগসই কৃষি যন্ত্রপাতির প্রবর্তন, গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ দূর্যোগ ও শ্রমিক সংকটকালে দেশে খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন করতে শস্যের ফলন বৃদ্ধি ও মূল্যবান ফসল উত্তোলন নিশ্চিত করবে। কর্মশালার সকল পর্বের অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষকবৃন্দ, কৃষি মন্ত্রণালয় ও সং¯িøষ্ট প্রতিষ্ঠানের গবেষক/কর্মকতাবৃন্দ, ছাত্র, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ দুই শতাধিক ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেছেন। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দাতাসংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান (ADB, FAO, IFAD, USAID Mission, HKI, IFDC, UNIDO, GIZ, iDE, CSISA-MEA, Swiss contact-Cambodia ), গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (IFPRI, IRRI) প্রতিনিধিবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ ও (ASMC-USA, SIIL, KSU-USA, UI-USA, Cambodia, Burkina Faso, Senegal) কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন।

এখানে উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ এবং আমেরিকার কানসাস স্টেট বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় যৌথভাবে Feed the Future Program I USAID এর অর্থায়নে Appropriate Scale Mechanization Innovation Hub (ASMIH)-Bangladesh নামে একটি গবেষণা প্রকল্প বাংলাদেশে (অক্টোবর ২০১৫ হতে সেপ্টেম্বর ২০১৯) পরিচালনা করেছে। বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়নের জন্য গবেষণার মাধ্যমে চাহিদামত উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতি উদ্ভাবন করে ফসলের মূল্য নির্ণয়ে সময়, শ্রম ও অর্থ সাশ্রয়ের জন্য লাগসই যন্ত্রপাতি ব্যবহারের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এই গবেষণার মূল লক্ষ্য। চার (০৪) বছর মেয়াদী প্রকল্পটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের চারটি জেলার (খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী ও নোয়াখালী) চার (০৪) টি উপজেলা (ডুমুরিয়া, উজিরপুর, কলাপাড়া ও সুবর্ণচর) নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এসব এলাকার উপযোগী ধানের চারা রোপনযন্ত্রের জন্য উপযুক্ত ধানের চারা উৎপাদন ও ধানের চারা রোপন যন্ত্র পরিচালনা, বিভিন্ন ফসলের জন্য বীজ বপন যন্ত্রের উপযোগীতা ও ব্যবহার, ফসল (ধান) কর্তনের জন্য রিপার ও কম্বাইন হারভেষ্টার এর উপযোগিতা পরীক্ষাসহ কৃষকদের নিকট জনপ্রিয়করণ, অপারেটর ও মেকানিকদের প্রশিক্ষণ প্রদান দক্ষতা বৃদ্ধিকরণ এবং যন্ত্রগুলোর প্রতি কৃষক ও উদ্যোক্তাদের আগ্রহ সৃষ্টিতে প্রকল্পটি কাজ করেছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট প্রকল্পের সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গবেষণা কাজে সর্বতো অংশগ্রহণসহ সার্বিকভাবে গবেষণার কাজে যুক্ত থেকেছে। এছাড়াও এসিআই মটরস্ লিমিটেড ও মেটাল প্রাইভেট লিমিটেড প্রকল্পের সাথে কারিগরী সহায়তা দিয়ে প্রকল্পের গবেষণার কাজে সহায়তা প্রদান করেছে। প্রকল্পটির গবেষণা কাজে প্রযুক্তিগত ও ব্যবস্থাপনা সহায়তা করেছে Sustainable Intensification Innovation Lab (SIIL), Kansas State University I University of Illinois at Urbana-Champaign, USA । প্রকল্পটি নারীর ক্ষমতায়ন, উদ্যোক্তা তৈরী, কৃষকদের সংগঠিত করা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নসহ ভবিষ্যত কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বাংলাদেশের বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী সংস্থাসমূহের করণীয় নির্ধারণে নীতিনির্ধারণী  বিষয়সমূহ চিহ্নিতকরণে কাজ করেছে।

HostGator Web Hosting