| |

সর্বশেষঃ

সারাদেশে রেল যোগাযোগ গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী

আপডেটঃ 4:24 pm | November 29, 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রেলকে প্রায় গলা টিপে হত্যা করতে গিয়েছিল বিএনপি । আমরা ক্ষমতায় এসে এখন আবার তা পুনরুজ্জীবিত করেছি। এখন রেলই মানুষের সব থেকে ভরসা। ১৯৯৩ সালে বিএনপি সরকার বললো রেল লাভজনক না। কাজেই এটা বন্ধ করে দিতে হবে। আস্তে আস্তে রেললাইন সংকোচন শুরু করে দিল। অনেক জায়গায় রেল যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হলো। প্রায় ১০ হাজারের ওপর রেলওয়ের দক্ষ কর্মীকে গোল্ডেন হ্যান্ডশেক দিয়ে বিদায় করে দিলো। আস্তে আস্তে রেল তুলে দেওয়া হবে। তাহলে চলবে কি? মিনিবাস, বাস এছাড়া আর কিছু চলবে না।

রোববার (২৯ নভেম্বর) সকালে যমুনা নদীতে বঙ্গবন্ধু রেলসেতু নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধনের আগে সূচনা বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন। অন্যদিকে উপস্থিত ছিলেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সেতু নির্মাণ করতে গিয়ে অনেক চাপ ও বাধা এসেছে। এমন কথাও শুনতে হয়েছে এটা ভায়াবল হবে না। আমরা ক্ষমতায় এসে জাপান সরকারকে বলেছিলাম একটা রেলসেতু করতে হবে। তখন বলেছিল মূল সেতুর ডিজাইন যেহেতু করা হয়েছে, পাশে রেললাইনটা দিয়ে দিতে পারি কিনা? এটা একটা চ্যালেঞ্জ ছিল। যারা তখন সব থেকে বেশি বাধা দিয়েছিল তারাই আবার এখন এগিয়ে আসছে আমাদের আলাদা একটা সেতু করার জন্য।

শেখ হাসিনা বলেন, সবচেয়ে দুর্ভাগ্য রেলওয়ের ওপর আঘাত আসল। আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের ওপর এসেছিল। দেশটা আমাদের, আমাদের আগে জানতে হবে কিভাবে দেশের উন্নতি হবে। যারা ক্ষমতায় ছিল বিশেষ করে ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যা করে যারা ক্ষমতায় এসেছিল তারা তো অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিল। তাই দেশের প্রতি তাদের কোনো দায়দায়িত্ব বোধ ছিল না। মানুষের কাছেও কোনো দায়বদ্ধতা ছিল না। ক্ষমতাটাকে ভোগ করা, আর ক্ষমতায় থেকে নিজেদের সম্পদের পাহাড় গড়া এটাই ছিল তাদের একমাত্র লক্ষ্য। যে কারণে কেউ কোনো পরামর্শ দিলে সেটার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ত, কিন্তু কোনটা দেশের জন্য কল্যাণকর সেটা কখনো চিন্তা করতেন না।

তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালে বলা হলো রেল মোটেই ভায়াবেল না, রেল লাভজনক না। কাজেই এটা বন্ধ করে দিতে হবে। ঠিকই বিএনপি যখন ক্ষমতায় এসে আস্তে আস্তে রেললাইন সংকোচন শুরু করে দিল। অনেক রেল যোগাযোগ বন্ধ, অনেক স্টেশন বন্ধ, প্রায় ১০ হাজারের ওপর রেলওয়ের দক্ষকর্মীকে গোল্ডেন হ্যান্ডশেক দিয়ে দিলো। কারণটা ছিল জেনারেল এরশাদের আমলেও, খালেদা জিয়ার আমলেও বা জিয়ার আমলেও তাদের কিছু লোক তাদের সন্তুষ্ট করার জন্য বাসের ব্যবসা দেওয়া হলো। এটাই চলতে হবে রেল আর চলবে না এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।

তিনি আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে আমরা ক্ষমতায় আসার পর উদ্যোগ নিলাম। আমরা রেল বন্ধ তো করবই না আরও কিভাবে বাড়ানো যায়, সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি।

HostGator Web Hosting