| |

সর্বশেষঃ

দেশের ১ শতাংশ জনগণ টিকা নিয়েছেন

আপডেটঃ 6:52 pm | February 19, 2021

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের জনগণের ১ শতাংশ এরইমধ্যে টিকা নিয়েছেন বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)। সংস্থাটি জানিয়েছে, পৃথিবীতে খুব কম সংখ্যক দেশই পেরেছে এই সফলতা অর্জন করতে।

শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীতে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরামের সংলাপে আইইডিসিআর এ তথ্য জানায়।

অনুষ্ঠানে আইইডিসিআর’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. এ এস এম আলমগীর বলেন, টিকা নিলেও শতভাগ সুরক্ষার জন্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিকল্প নেই। প্রথমদিকে করোনার টিকা আগ্রহ কম দেখালেও এখন দ্বিগুণ উৎসাহে টিকা নিচ্ছে সাধারণ মানুষ। কোন কোন কেন্দ্রে লক্ষ্যমাত্রার দেড়গুণ পর্যন্ত টিকা নিতে ভিড় করছেন আগ্রহীরা।

তিনি বলেন, পৃথিবীতে যে অল্প কয়েকটি দেশ তার মোট জনসংখ্যার ১ শতাংশের টিকা নিশ্চিত করেছে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। খুব অল্প দেশ নিজ জনসংখ্যার ১ শতাংশ মানুষকে ভ্যাকসিন দিয়েছে। আমাদের ১৮ লাখ ৪৭ হাজার মানুষকে টিকা দেয়া হয়েছে। যা শতাংশ হিসেবে ১ এর অধিক।

স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি ও জাতীয় কারিগরি উপদেষ্টা কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এম ইকবাল আর্সলান বলেন, দেশে সরকারিভাবে যে ভ্যাকসিন‌ কেনা হয়েছে এর প্রথম চালানের ৫০ লাখ টিকা এনেছে। এগুলো ম্যানুফ্যাকচারিং হয়েছে অক্টোবর মাসে। এর কার্যকরী মেয়াদ ছয় মাস। এটি সরকার এনেছে জানুয়ারি শেষের দিকে। দেওয়া শুরু হয়েছে ফেব্রুয়ারির শুরুতে। এর মেয়াদকাল এপ্রিলের শেষের দিকে শেষ হয়ে যাবে।

‘উপহার হিসেবে যে ভ্যাকসিন বাংলাদেশে এসেছে। তা তৈরি হয়েছে জানুয়ারিতে, মেয়াদ শেষ হবে জুনে। তাই মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগেই ভ্যাকসিন শেষ করার জন্য সরকার চিন্তা করেছিল প্রথম ডোজ নেওয়ার চার সপ্তাহ পরে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। কিন্তু বিজ্ঞানভিত্তিকভাবে প্রথম ডোজ দেওয়ার আট থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হলে ইমিউমিনিটি তৈরি হয়। সেই চিন্তা করে দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয় আট সপ্তাহ পরে। এতে মানুষের মধ্যে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে। তবে ১২ সপ্তাহ পরে দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারলে সবচেয়ে উত্তম। ’

HostGator Web Hosting