| |

Ad

সর্বশেষঃ

অসাধুরা তৎপর, দমনে প্রস্তুত ব্যাংক-প্রশাসন

আপডেটঃ ৪:২৩ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০৩, ২০১৬

কোরবানীর ঈদ সামনে নিয়ে জালনোট প্রস্তুতকারী এবং তার বাজারজাতকারীরা সক্রিয়। রাজধানীতে তাদের একটি দল আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ধরাও পড়েছে।

এদিকে, হাঁটে কোরবানীর পশু কেনা-বেচার ক্ষেত্রে জাল নোট প্রতিরোধে বিভিন্ন তফসিলি ব্যাংকের বুথ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঈদের আগের দিন রাত পর্যন্ত এই সব বুথে ব্যাংকের কর্মকর্তারা জাল নোট যাচাই-বাছাইয়ে সহায়তা দেবে। এছাড়াও সারাদেশের পৌরসভা ও থানা কর্তৃক অনুমোদিত পশুর হাটে ব্যাংকগুলো বুথ স্থাপন করবে। বুথ স্থাপন বিষয়ক সার্কুলার জারী করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক; যে সেবা দেয়া হবে বিনা খরচে।

যে জাল নোট চক্রটি ধরা পড়েছে তারা রাজধানীতে কয়েক বছর ধরে সক্রিয় ছিল বলে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা জানিয়েছে। তবে এরাই যে একমাত্র চক্র নয়। এধরনের অনেক দেশী-বিদেশী জাল নোট চক্রই সারা বছর দেশব্যাপী সক্রিয় থাকে। মাঝে মাঝে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে এই সব চক্র ধরাও পড়ে। কিন্তু তারপর কী হয় তার খবর কেউ জানতে পারেনা। তবে শোনা যায় আইনের ফাঁক গলিয়ে এই সব চক্রের সদস্যরা আবারও মাঠে নামে এবং মানুষকে প্রতারিত করে। এমন অভিযোগও পাওয়া যায়, ব্যাংকের কোন কোন অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীর সাথেও এই চক্রের সম্পর্ক বা যোগসাজোস রয়েছে।

এটা ঠিক যে, ঈদ পর্বের মত বড় অংকের আর্থিক লেনদেনের সময় অসাধু চক্রগুলো সক্রিয় হয়ে উঠবে। কিন্তু সেই সাথে যদি দায়িত্বশীলরা সক্রিয় থাকে, তাহলে অসাধু চক্র আর সক্রিয় হতে পারবে না। এমুহূর্তে যদ্দুর দেখা যাচ্ছে, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী স্ব স্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। সেজন্য বলা যায়, কোরবানী মৌসূমে জালনোট কারবারীদের অনেকটাই রুখে দেয়া সম্ভব হবে। তবে এর জন্য প্রয়োজন মাঠ পর্যায়ের দায়িত্ববানদের আন্তরিকতা ও সচেতনতা। মনে রাখা দরকার, শুধু অফিসিয়াল দায়িত্বের তাগিদে নয়, জনগণের কাছে দায়বদ্ধতা থেকে এই কাজে তাদের স্বতঃস্ফূর্ততা থাকতে হবে।

আরোও পড়ুন...