| |

সর্বশেষঃ

স্বাস্থ্যচিত্র বদলে দিচ্ছে কমিউনিটি কিনিক

আপডেটঃ ২:০৪ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ২৩, ২০১৫

ঢাকা প্রতিনিধি : স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তির অনন্য নাম কমিউনিটি কিনিক। কমিউনিটি কিনিকের স্বাস্থ্যসেবার সুফল ভোগ করছেন গ্রামীণ জনপদের মানুষ। দিনে দিনে স¤প্রসারিত হচ্ছে কমিউনিটি কিনিকের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম। স্বাস্থ্যসেবা বঞ্চিত গ্রামীণ জনপদের মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেয়ার ল্েয ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার জনকল্যাণমূলক এ প্রকল্পটি চালু করে।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ২০০১ সালে জনপ্রিয় এই স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পটি বন্ধ করে দিলেও পরবর্তীকালে ২০০৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার মতায় এসে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক প্রচষ্টায় জনপ্রিয় এই স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চালু হয় কমিউনিটি কিনিক।প্রতিটি কিনিকে চিকিৎসাসেবা প্রদানের জন্য নিয়োজিত রয়েছে ১ জন হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার।
একজন হেলথ প্রোভাইডার সপ্তাহে ৬ দিন, একজন স্বাস্থ্য সহকারী ও একজন পরিবার কল্যাণ সহকারী সপ্তাহে ৩ দিন করে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে থাকেন।
সরেজমিন দেখা যায়, কমিউনিটি কিনিকগুলোয় প্রতিদিন প্রচুর রোগী চিকিৎসার জন্য আসেন। বেশ কয়েকটি কিনিকে রোগীর সংখ্যা অন্যগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। কোনো কোনো কিনিকে দিনে গড় রোগীর সংখ্যা ৬০ থেকে ৮০ জন। কিনিকগুলো থেকে স্বাস্থ্যসেবায় জনগণের মধ্যে রয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। সেবা গ্রহণকারীদের সিংহভাগই নারী ও শিশু। কমিউনিটি কিনিকগুলোর কল্যাণে চিকিৎসা সংক্রান্ত অনেক দুর্ভোগ থেকে রা পাচ্ছেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডাররা শুক্রবার ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত কমিউনিটি কিনিকে উপস্থিত থাকেন। কমিউনিটি কিনিকগুলোয় প্রজনন স্বাস্থ্য পরিচর্যার আওতায় গর্ভবতী মহিলাদের প্রসবপূর্ব প্রতিষেধক টিকাদানসহ প্রসব পরবর্তী সময়ে নবজাতকসহ মাকেও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়। সময়মতো যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, পোলিও, ধনুষ্টংকার, হাম, হেপাটাইটিস-বি, নিউমোনিয়া টিকা দানসহ শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়।
কমিউনিটি কিনিকে যক্ষ্মা, ম্যালেরিয়া, কুষ্ঠ, কালাজ্বর, ডায়রিয়াসহ অন্যান্য সংক্রামক রোগের সীমিত চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে। সাধারণ জখম, জ্বর, ব্যথা, বিষক্রিয়া, দংশন, পোড়া, হাঁপানি, চর্মরোগ, ক্রিমি এবং চোখ, দাঁত ও কানের সাধারণ রোগের েেত্র লণভিত্তিক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়। আমরা মনে করি, সরকার স্বাস্থ্যসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। এ লয়ে সরকার কমিউনিটি কিনিক চালু করে। বর্তমানে দেশের কমিউনিটি কিনিকগুলো অসহায়-দুস্থ মানুষের মধ্যে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করছে। এভাবে কমিউনিটি কিনিকগুলোর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া সম্ভব হয়েছে।

আরোও পড়ুন...

HostGator Web Hosting