| |

Ad

সর্বশেষঃ

নূর হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

আপডেটঃ ৬:৩২ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ১৩, ২০১৫

ঢাকা প্রতিনিধি : বহুল আলোচিত সাত খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল শুক্রবার বেলা পৌনে ৩টার দিকে নারায়ণগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহীদুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। নূর হোসেনকে সাত খুনের ২টিসহ মোট ১১টি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এর আগে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইনস থেকে নূর হোসেনকে বহনকারী গাড়িটি বেলা ২টা ৩০ মিনিটের দিকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে আদালতে পৌঁছায়। পরে নূর হোসেনকে আদালতে তোলা হলে শুনানি শেষে বিচারক তাকে জেলা কারাগারে পাঠান।
এদিকে নূর হোসেনকে আদালতে নেয়া হলে সেখানে অবস্থান করা নিহতের স্বজনরা তার ফাঁসির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। নূর হোসেনকে রিমান্ডে না চাওয়ায় ােভ প্রকাশ করেছেন নিহত কাউন্সিলর নজরুলের স্ত্রী বিউটি।
নূর হোসেনকে আদালতে নেয়ার আগে থেকেই আদালত পাড়া ও এর আশে-পাশে গড়ে তোলা হয় কঠোর নিরাপত্তাবলয়। নূর হোসেনের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন বলেছেন, নূর হোসেনের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সব মামলাতেই আদালত থেকে ওয়ারেন্ট ইস্যু হয়েছে, তাকে রিমান্ড চাওয়ার সুযোগ নেই।
এর আগে নূর হোসেনকে উত্তরার র‌্যাব-১ কার্যালয় থেকে নারায়ণগঞ্জে নিয়ে আসা হয়। শুক্রবার সকাল ৭টা ২০ মিনিটের দিকে তাকে বহনকারী গাড়ি র‌্যাব-১ কার্যালয় থেকে রওনা হয়ে ৮টা ১৫ মিনিটে নারায়ণগঞ্জ পুলিশ লাইনে নিয়ে আসা হয়।
তার আগে বেনাপোলে হস্তান্তরের পর নূর হোসেনকে সরাসরি নিয়ে আসা হয় উত্তরার র‌্যাব-১ কার্যালয়ে। সকাল ৬টা ৫০ মিনিটে নূর হোসেনকে বহনকারী গাড়ি র‌্যাব-১ কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। তাকে নিয়ে আসা গাড়িটির সঙ্গে ছিল আরও চারটি গাড়ি। পরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করে র‌্যাব।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ শহরের কাছ থেকে পৌর কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করেন র‌্যাব-১১-এর কতিপয় সদস্য। এর তিনদিন পর শীতল্যা নদীতে হাত-পা বাধা অবস্থায় সাত জনেরই মৃতদেহ পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় নূর হোসেনকে প্রধান আসামি করে দুটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে ঘটনার ১১ মাস পর গত ৮ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সংস্থা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) দুটি মামলায় অভিন্ন চার্জশিটে নূর হোসেন, চাকরিচ্যুত সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তাসহ ৩৫জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। তাদের মধ্যে ২২জন গ্রেফতার রয়েছে। নূরের পর বাকি ১২ জন এখনও পলাতক।

আরোও পড়ুন...