| |

Ad

সর্বশেষঃ

আপডেটঃ ৭:০৮ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১০, ২০১৭

মোঃ রাসেল হোসেন, ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম : একাগ্রতা, সততা ও নিষ্ঠবানরা কখনো ব্যর্থ হতে পারেনা। তাই লেখাপড়ার পাশপাশি একাগ্রতা, সততা, নিষ্ঠাবান অলরাউন্ডার মানুষের মত মানুষ হতে হবে। ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার কৃতি মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানকালে কৃতি শিক্ষাথীদের উদ্দেশ্যে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান এ সব কথা বলেন।
জেলা পরিষদের শিক্ষা সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও জেলা পরিষদের সদস্য আবু বকর সিদ্দিক বাহারের সভাপতিত্বে ও প্যানেল চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক সায়েমের পরিচালনায় প্রধান অতিথি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরো বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি ভাল মানুষ ও ভাল স্বভাবের মানুষ হতে সব সময় নিজেদের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। যাতে আউট হয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা না দেয়। কারণ ব্যর্থতার গ্লানি সারা জীবন বয়ে বেড়াতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে ধারণ করে প্রত্যেককে মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির জনকের প্রতি সম্মান দেখিয়ে চলতে তিনি সকলের প্রতি আহবান জানিয়ে আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির জনকের সমক কেউ হতে পারেনা তা মনে প্রানে বিশ্বাস করে সভ্য সমাজ গড়তে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে যেতে হবে। জেলা পরিষদ কর্তৃত দেয়া বৃত্তির টাকাকে টাকার অংকে মাপ না দিয়ে এ বৃত্তিকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী হিসাবে সম্মান দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি আরো বলেন, আগামীতে বৃত্তির টাকা ও পরিধি বাড়ানো হবে।
টানা তিনদিনব্যাপী কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানের শেষ দিন বৃহস্পতিবার বিশেষ অতিথি হিসাবে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এএইচএম লোকমান (উপ সচিব) বলেন, শিক্ষা ভাল মন্দের পার্থক্য করে। অজ্ঞতা আর অজানাকে দুর করে। শিক্ষা দৃষ্টি ভঙ্গির ইতবাচক পরিবর্তন করে। সৎ আদর্শবান ও উদার হতে শেখায় এবং অন্যের তির কারণ হয়না। কারণ শিা মানুষের মনের পাপড়ী খুলে দেয়। এ জন্য জীবনের ল্য নির্ধারণ করে ভাল ও উন্নত মানুষ হতে এগিয়ে যেতে হবে। কারণ একজন ভাল মানুষ হয়ে সভ্য ও উন্নত সমাজ গড়তে সকলের প্রতি আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের প্যানেল মেয়র মমতাজ উদ্দিন, ফারজানা শারমীন বিউটি, সদস্য সদস্য আব্দুল্লাহ আল মামুন উজ্জল, দিলরুবা আক্তার কাজল, মফিদুল ইসলাম। এছাড়া শিক্ষার্থীদের মাঝে বক্তব্য রাখেন অনন্যা আফসারী ও মনির হোসেন। অনুষ্ঠানটিকে সুন্দর ও স্বার্থক করতে জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী ওয়াহিদুজ্জামান, হিসাব রণ কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান তসলিমসহ সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীগন দায়িত্ব পালন করেন। উল্লেখ্য তিন দিনে ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের এক হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থীদেরকে ২৮ লাখ ৫৫ হাজার টাকার নগদ চেকের মাধ্যমে বৃত্তির টাকা প্রদান করা হয়।

আরোও পড়ুন...