| |

Ad

সর্বশেষঃ

বৃষ্টি উপেক্ষা করে আবদুল জব্বারের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা

আপডেটঃ ২:৪১ অপরাহ্ণ | আগস্ট ৩১, ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক : সর্বস্তরের মানুষের পক্ষ থেকে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হলো মহান মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী আবদুল জব্বারের প্রতি। বৃহস্পতিবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তার মরদেহ নেয়ার পর বৃষ্টি উপেক্ষা করে সর্বস্তরের মানুষ তার প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। তিনি আবদুল জব্বার কিডনি, হার্ট, প্রস্টেটসহ বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।

কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত সালাম সালাম হাজার সালাম, জয় বাংলা বাংলার জয়সহ অনেক উদ্বুদ্ধকরণ গানের গায়ক। তার গাওয়া ‘তুমি কী দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়, সালাম সালাম হাজার সালাম ও জয় বাংলা বাংলার জয়’গান তিনটি ২০০৬ সালে মার্চজুড়ে অনুষ্ঠিত বিবিসি বাংলার শ্রোতাদের বিচারে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ২০টি বাংলা গানের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

এদিকে শহীদ মিনারে নেয়ার পর আবদুল জব্বারকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। ঢাকা জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজুয়া আকরাম ইবনে সাজ্জাদের নেতৃত্বে গার্ড অব অনার দেয়া হয়।

আবদুল জব্বারকে শেষ শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সর্বস্তরের জনগণ।

এরআগে সকাল ১০টার দিকে বাংলাদেশ বেতারে প্রথম জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয় আব্দুল জব্বারের। বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে আবদুল জব্বারের দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বিকালে আবদুল জব্বারকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে।

বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন আব্দুল জব্বার। এরপর তার মরদেহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে তার বাসভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে তার মৃতদেহ বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়।

আব্দুল জব্বার ১৯৫৮ সাল থেকে তৎকালীন পাকিস্তান বেতারে গান গাওয়া শুরু করেন। বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত দুটি সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক (১৯৮০) ও স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৯৬) ছাড়াও বঙ্গবন্ধু স্বর্ণপদক (১৯৭৩), বাচসাস পুরস্কার (২০০৩) ও আজীবন সম্মাননা (সিটিসেল-চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডস-২০১১) পান।

১৯৩৮ সালের ৭ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

আরোও পড়ুন...