| |

সর্বশেষঃ

মধ্যপাড়া পাথর খনিতে উৎপাদন বন্ধ : ৯০০ শ্রমিক বেকার

আপডেটঃ ৪:৫১ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ২৭, ২০১৬

মোঃ রুকুনুজ্জামান বাবুল পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুুর পার্বতীপুরের মধ্যপাড়ার পাথর খনির ভারী যন্ত্রপাতির অভাবে প্রায় চার মাস ধরে বন্ধ রয়েছে পাথর উত্তোলন। ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ থাকায় খনিতে কর্মরত প্রায় ৯০০ শ্রমিককে অনির্দিষ্টকালের ছুটিতে আছে এবং ৭০ জন বিদেশি খনি বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তা নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন। এছাড়া জিটিসির অধীনে খনিতে কর্মরত শ্রমিক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অধিকাংশই খনি পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা। চার থেকে ছয় মাস ধরে কর্মহীন হয়ে পড়া এসব শ্রমিকের পরিবারে দেখা দিয়েছে অভাব, অনটন।
এর আগে গত ১ আগস্ট ৩ শিফটের মধ্যে ২ শিফট বন্ধ করে দেয়া হয়। সময়মতো প্রয়োজনীয় মাইনিং ইক্যুইপমেন্ট (ভারী যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ) বিদেশ থেকে আমদানি না করায় যন্ত্রপাতির অভাবে উৎপাদন ও রণাবেণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান জিটিসি খনি ভূগর্ভে নতুন স্টোপ উন্নয়ন করতে না পারায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
সংশিষ্ট সূত্রে জানা গেছে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয়ার্ধে প্রায় ১০০ কোটি টাকার ভারী যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করার ল্েয ব্যাংককে এলসি খোলা হয়। এসব ভারী যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে অর্ডার দিয়ে সরবরাহ নিতে এবং দেশে আনতে ৬-৭ মাস সময় লাগতে পারে। এ সময় পর্যন্ত খনি থেকে পাথর উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জিটিসির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) জাবেদ সিদ্দিকী জানান, উৎপাদনকারী বিদেশি প্রতিষ্ঠানে অনেক যন্ত্রপাতি তৈরি হয়ে গেছে। কিছু যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। খুব শিগগির বিদেশ থেকে মাইনিং ইক্যুইপমেন্ট খনিতে চলে আসবে। ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে খনি থেকে পাথর উত্তোলন শুরু করা যাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উৎপাদন বন্ধ থাকায় তাদের মোটা অঙ্কের আর্থিক তি হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

আরোও পড়ুন...

HostGator Web Hosting