| |

Ad

সর্বশেষঃ

আদালতে খালেদা, যুক্তিতর্ক চলছে

আপডেটঃ ১:১৮ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ১৭, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে পৌঁছেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বুধবার (১৭ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি পুরান ঢাকার বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসায় স্থাপিত বিশেষ আদালতে উপস্থিত হন।

এর পর ১১টা ১৮ মিনিটে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুনীর্তি মামলার যুক্তিতর্ক শুরু হয়। এ মামলার আসামি ব্যবসায়ী শরিউদ্দিনের পক্ষে তার আইনজীবী আহসান উল্লাহ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন।

এর আগে সকাল ১০ টা ৫০ মিনিটে বেগম খালেদা জিয়া গুলশানের নিজ বাসভবন ‘ফিরোজা’ থেকে আদালতের উদ্দেশ্যে রওনা হন বলে জানিয়েছিলেন চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে খালেদা জিয়ার পক্ষে তাঁর আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ যুক্তিতর্ক শেষ করেন। তারপর গতকাল থেকেই আদালতে শুরু হয় এ মামলার অন্য আসামিদের যুক্তিতর্ক।

নিজের যুক্তিতর্ক শেষ হলেও এখন থেকে মামলার প্রতিটি নির্ধারিত তারিখে এবং অন্য আসামিদের যুক্তিতর্ক চলাকালে রাজধানীর বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসায় স্থাপিত বিশেষ আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে খালেদা জিয়াকেও।

মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার পক্ষে দুটি আবেদন দাখিল করা হয়। একটি হলো তাঁকে স্থায়ী জামিন দেওয়ার জন্য এবং অন্যটি হলো, তাঁর পক্ষে যুক্তিতর্ক শেষ হয়ে যাওয়ায় অন্য আসামিদের যুক্তিতর্ক চলাকালে আগামী তিন কার্যদিবস যেন খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির না হতে হয়।

তবে দুটি আবেদনই নামঞ্জুর করেন বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। ফলে অন্য আসামিদের যুক্তিতর্কের সময়ও খালেদা জিয়াকে আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে। এ ছাড়া স্থায়ী জামিন না হওয়ার কারণে মামলার প্রতিটি তারিখেই আদালতে হাজির হতে হবে বিএনপির প্রধানকে।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতির অভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশিদ।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌচলাচল কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

আরোও পড়ুন...