| |

Ad

সর্বশেষঃ

আইটি শিক্ষায় ৭টি বৃহৎ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে : পলক

আপডেটঃ ৪:১৯ অপরাহ্ণ | জুন ১১, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের ৬৪ জেলার তরুণ-তরুণীদের ভবিষতে আইটি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে সাতটি বৃহৎ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

সোমবার দুপুরে নাটোরের সিংড়া উপজেলার রানীনগর এলাকায় শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বর্তমান সরকার সারাদেশে হাইটেক পার্ক, সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক স্থাপন করছে। বর্তমান সরকার দেশকে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার মেনুফ্যাকচারিংয়ের হাব হিসেবে প্রতিষ্টা করতে চায়। প্রকল্পগুলো পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে আগামী ২০২১ সালের মধ্যে দেশের আইসিটি সেক্টরে এক মিলিয়ন তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই খাত থেকে বছরে পাঁচ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্জন করা সম্ভব হবে।

পলক বলেন, সিংড়াতে ইনকিউবিশন সেন্টার, টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার ও টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কাজ শেষ হলে চলনবিল ইকোনমিক হাবে পরিণত হবে। এতে সিংড়া এলাকার ২০ হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান তৈরি হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার একুশ শতকের উপযোগী দক্ষ মানব সম্পাদ গড়ে তুলছে। তারই ধারাবাহিকতায় বিশ্বমানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তথ্য-প্রযুক্তি খাতে প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি করা হচ্ছে। শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন স্টোর স্থাপনের মাধ্যমে এই দক্ষ জনবল তৈরির কাজ আরও মসৃণ হবে। আমাদের তরুণ প্রজন্ম এখান থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে বিশ্বমানের সফটওয়্যার তৈরি করবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে আইটি খাতে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে হলে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির বিকল্প নেই। এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেই লক্ষ্য পূরণ আরও সহজ হবে।

সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বিপুল কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের শেখ কামাল আইটি পার্কের প্রজেক্ট ডিরেক্টর গৌরি শংকর প্রসাদ, সিংড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিক, পৌর মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ।

১৫ একর জায়গার ওপর ৪৩ কোটি ৫৮লাখ ব্যায়ে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টার নির্মাণ করা হচ্ছে। আগামী ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এক হাজার তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

আরোও পড়ুন...