| |

সর্বশেষঃ

রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেটঃ ৬:৪২ অপরাহ্ণ | আগস্ট ০৮, ২০১৮

সচিবালয় প্রতিবেদক : বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ জানিয়েছেন, ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৪৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে পণ্য রপ্তানি ৩৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং সেবা রপ্তানি ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০১৮-২০১৯ অর্থরছরের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ সংক্রান্ত সভায় তিনি এ কথা জানান।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, গত বছর পণ্য ও সেবা খাতে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। রপ্তানি হয়েছে ৪০.৯৪৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আমাদের রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। গত বছর পণ্য খাতে রপ্তানির প্রবৃদ্ধি ছিল ৬.৩৬ ভাগ এবং সেবা খাতে ৭.৪৩ ভাগ। মোট রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৬.৪৭ ভাগ।

তিনি আরো বলেন, সরকার বর্তমানে ২৭টি পণ্য রপ্তানি খাতে বিভিন্ন হারে নগদ আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছে। এবার আরো ৯টি পণ্য রপ্তানিতে ১০ শতাংশ হারে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পণ্যগুলো হলো- হিমায়িত সফটসেল কাঁকড়া, ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য ও ওষুধের কাঁচামাল, সিরামিক দ্রব্য, গালভানাইজড সিট বা কয়েলস, ফটোভলটাইক মডিউল, রেজার ও রেজার ব্লেডস, ক্লোরিন, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, কস্টিক সোডা এবং হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড। আগামীতে দেশের রপ্তানিকারকগণ পণ্য রপ্তানিতে আরো বেশি উৎসাহিত হবেন। রপ্তানির এ ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২১ সালে দেশের মোট রপ্তানি ৬০ বিলিযন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের রপ্তানির সিংহভাগ আসে তৈরী পোশাক রপ্তানি থেকে। গত অর্থবছর ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, রপ্তানি হয়েছে ৩০.৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ বছর তৈরী পোশাক রপ্তারি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২১ সালে এ রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়াবে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তৈরী পোশাক নতুন বাজারে রপ্তানিতে আগে ৩ শতাংশ হারে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হতো, এখন আরো ১ ভাগ বাড়িয়ে ৪ শতাংশ হারে নগদ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। আশা করা হচ্ছে, আগামীতে তৈরী পোশাক রপ্তানিতে ১০ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হবে।

ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য অবকাঠামোর উন্নয়ন, ব্যবসায়িক জটিলতা নিরসন ও সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং স্থল ও সমুদ্র বন্দরের কার্যক্রম আরো গতিশীল করার দাবি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী বলেন, দেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য সরকার পর্যাপ্ত কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। এগুলোর কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। চলমান কাজগুলো শেষ হলে রপ্তানি বাণিজ্য সহজ হবে। দেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও সহজ করতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক রপ্তানি বাণিজ্য প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বাংলাদেশ বিগত যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি সক্ষমতা অর্জন করেছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসু, এফবিসিসিআইর প্রেসিডেন্ট শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন, বিজিএমইএর প্রেসিডেন্ট মো. সিদ্দিকুর রহমান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্য্য, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) তপন কান্তি ঘোষসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরোও পড়ুন...

HostGator Web Hosting