| |

Ad

সর্বশেষঃ

স্থিতিশীল মসলার বাজার, কাঁচা মরিচ সবজির দাম চড়া

আপডেটঃ ৬:৫২ অপরাহ্ণ | আগস্ট ১৮, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : পবিত্র ঈদুল আজহার আর মাত্র বাকি চার দিন। ঈদের শেষ সময়ে এসে কোরবানির মাংসের অত্যাবশ্যকীয় গরম মসলার দাম স্থিতিশীল রয়েছে। তবে ঈদকে সামনে রেখে সবজি আর কাঁচা মরিচের দাম হু হু করে বাড়ছে।

শনিবার রাজধানীর রামপুরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচা মরিচসহ অধিকাংশ সবজির দাম বেড়েছে। এরমধ্যে প্রতি কেজি শিম ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া টমেটো ১০০-১২০, বেগুন মান ভেদে ৬০-৮০ টাকায়, গাজর ৮০-৯০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিচ ৩০-৪০ টাকা। কচুর চড়া ৪০-৫০ টাকা, বরবটি ৫০-৬০ টাকা, পটোল ৪০-৫০, ঝিঙা ৪০-৫০ টাকা, ধুন্দল ৪০-৫০ টাকা, কাকরল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০, মিষ্টি কুমড়া আকার ভেদে ৪০- ৬০ টাকা, পেঁপে ২৫ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ৮০ টাকার কাঁচা মরিচ দাম বেড়ে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রামপুরা বাজারে সবজি বিক্রেতা আবদুর রাজ্জাক বলেন, পরিবহনের অভাবে রাজধানীতে সবজি কম ঢুকছে। কারণ ট্রাক এখন কোরবানির পশুর বেপারিদের দখলে। এই কারণে সবজির দাম বাড়তি।

মাংসের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগির দাম কেজি প্রায় ১০ টাকা কমেছে। বাজারে শনিবার প্রতিকেজি ব্রয়লার ১৩৫-১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লাল লেয়ার মুরগির দামও কেজিতে প্রায় ৩০ টাকা কমে ২২০-২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৫০০ টাকা আর খাসির মাংস ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে মসলার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিকেজি দারুচিনি ৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লবঙ্গ ১১০০-১২০০ টাকা, ধনিয়া ১২০ টাকা, গোল মরিচ ৭০০ টাকা, এলাচ ১৬০০-২০০০ টাকা, গোলমরিচ ১৫০০ টাকা, ভারতীয় জিরা ৪০০ টাকা, টার্কি ৫০০ টাকা, গুঁড়া হলুদ ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাইকারি মসলা আমদানিকারক সমিতির সভাপতি এনায়েত বলেন, চলতি বছর বাজারে মসলার পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। তাই মসলার দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

তিনি বলেন, মসলার সরবরাহের তুলনায় চাহিদা কম। আবার আন্তর্জাতিক বাজারে মসলার দর নিম্নমুখী। এসব কারণে চলতি ঈদে মসলার দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

আরোও পড়ুন...