| |

সর্বশেষঃ

টাঙ্গাইলে আখের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক

আপডেটঃ ১২:০৬ অপরাহ্ণ | আগস্ট ২৮, ২০১৮

টাঙ্গাইলে প্রতিনিধি : রোগবালাই ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ না থাকায় টাঙ্গাইলে এবার আখের আশানুরূপ উৎপাদন হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় ক্ষেত থেকে আগাম আখ কেটে বাজারে বিক্রি করছেন চাষিরা। বাজারমূল্য কিছুটা চড়া হলেও সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই খুশি। তাই ধুম পড়ে গেছে আখ কাটা ও বিক্রিতে। উৎপাদিত আখের আশানুরূপ দাম পেয়ে খুশি চাষিরা।

তবে সরকারি কোনো উদ্যোগ না থাকায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে টাঙ্গাইলে আখ চাষ করেছেন চাষিরা। অপরদিকে বেশি লাভ পাওয়ায় আখ চাষে ঝুঁকছেন টাঙ্গাইলের কৃষকরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর জেলায় ৬৯৯ হেক্টর জমিতে আখ চাষ হয়েছিল ও ৩৩ হাজার ৫৭৪ মেট্রিক টন উৎপাদন হয়েছিল। এ বছর টাঙ্গাইলে ৫৫৯ হেক্টর জমিতে আখের চাষ করা হয়েছে। সদর উপজেলায় ২৬০ হেক্টর, বাসাইল উপজেলায় ১ হেক্টর, কালিহাতী উপজেলায় ১৮ হেক্টর, ঘাটাইল উপজেলায় ২০ হেক্টর, নাগরপুর উপজেলা ১০০ হেক্টর, মির্জাপুর উপজেলায় ৩২ হেক্টর, মধুপুর উপজেলায় ১৬ হেক্টর, ভুঞাপুর উপজেলায় ৬০ হেক্টর, গোপালপুর উপজেলায় ১৪ হেক্টর, দেলদুয়ার উপজেলায় ৩৮ হেক্টর জমিতে আখের আবাদ হয়েছে।

অন্যদিকে সখীপুর ও ধনবাড়ী উপজেলায় কোনো আখের চাষ করা হয়নি।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের ধরেরবাড়ী এলাকার আখ চাষি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘এ বছর আমি এক বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছি। সব মিলিয়ে ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আমি আশার করছি এ বছর এক বিঘা জমির আখ ৫০ হাজার টাকা বিক্রি করবো। তার মধ্যে আমার আখের চারা কিনতে ৩ হাজার টাকা, হাল চাষ ১ হাজার টাকা, শ্রমিক ৫ হাজার টাকা ও সারে ৩ হাজার টাকা খরচ হয়েছে।’

এ বিষয়ে রোকন হোসেন খোকা বলেন, বাঘিল ইউনিয়নের ধরেরবাড়ী, পিচুরিয়া, কৃষ্ণপুর, টাবলাপাড়া এলাকায় প্রায় ১শ’ বিঘা জমিতে আখ চাষ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শয়ান মিয়া বলেন, ‘এ বছর আমি দেড় বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছি। তার মধ্যে ৪ শতাংশ জমিতে আখের ফলন একটু খারাপ হয়েছে। তবে বাজারে আখের দাম ভাল হওয়ায় আমি লাভবান হতে পারবো।’

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আব্দুল রাজ্জাক বলেন, এ বছর আখ চাষের বাম্পার ফলন হয়েছে। আখ বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। আমাদের কৃষি অফিসাররা মাঠ পর্যায়ে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন।

আরোও পড়ুন...

HostGator Web Hosting