| |

Ad

সর্বশেষঃ

বাবুল চিশতী ও তার স্ত্রীর সম্পদ ক্রোকের আদেশ

আপডেটঃ ৬:২৬ অপরাহ্ণ | আগস্ট ৩১, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : অর্থপাচারের মামলায় ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের অডিট কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতী ও তার স্ত্রী রুজী চিশতীর সম্পদ ক্রোকের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তার এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন।

বৃহস্পতিবার দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন (জাহাঙ্গীর) এসব তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. সামছুল আলম আসামিদের সম্পদ ক্রোকের আবেদন করেন। আবেদনটি গ্রহণ করে আদালত বাবুল চিশতী ও তার স্ত্রী রুজী চিশতীর যাবতীয় সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেন।

আবেদনে বলা হয়, মো. মাহবুবুল হক চিশতী ওরফে বাবুল চিশতী ও তার স্ত্রী রুজী চিশতী ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজসে তাদের নামে-বেনামে, কখনো তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেডের বিভিন্ন শাখায় ২৫টি হিসাব খোলেন। দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্জিত ১৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪২ টাকা স্থানান্তর, হস্তান্তর ও লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে হিসাবগুলোতে জমা করেন এবং নিজের নামে ক্রয়কৃত শেয়ারের বাজারমূল্য পরিশোধ করে মানিলন্ডারিং আইন, ২০১২ এর ৪ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

মামলার তদন্তকালে বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, বাবুল চিশতী নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে অনেক অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন এবং দুদকের মামলার পর থেকে এসব সম্পদ বিক্রি করার চেষ্টা করছেন মর্মে বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়। বাবুল চিশতী ও তার পরিবারের সদস্যদের মালিকানাধীন সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। বিভিন্ন ব্যাংকে তাদের নামে-বেনামে প্রচুর অর্থ জমা রয়েছে। বর্ণিত সম্পদের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে তা বেহাত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। সুতরাং, সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামিদের এসব সম্পদসহ আরো সম্পদ পাওয়া গেলে তা ক্রোক বা ক্ষেত্রবিশেষে অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন। সম্পদগুলো যেন বিক্রি বা হস্তান্তর করতে না পারে সেজন্য জেলা রেজিস্ট্রার ঢাকা, ময়মনসিংহ, জামালপুর, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ফারমার্স ব্যাংকের সচিব, রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানিজ অ্যান্ড ফার্মসকে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ক্রোক বা ক্ষেত্রবিশেষে অবরুদ্ধ করার প্রয়োজনীয় আদেশ দানের আবেদন করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ১০ এপ্রিল রাজধানীর গুলশান থানায় অর্থপাচারের অভিযোগে বাবুল চিশতীসহ ছয়জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করে দুদক। মামলায় ২৫টি ব্যাংক হিসাব খুলে ১৫৯ কোটি ৯৫ লাখ ৪৯ হাজার ৬৪২ টাকা স্থানান্তর ও লেয়ারিংয়ের মাধ্যমে হিসাবগুলোতে গ্রহণ ও নিজেদের (আসামিদের) নামে ব্যাংক শেয়ারের মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগ আনা হয়।

আরোও পড়ুন...