| |

Ad

সর্বশেষঃ

যুব সমাজকে বাদ দিয়ে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়’

আপডেটঃ ৬:৫৪ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০১, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের সার্বিক উন্নয়ন তথা নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে যুব সমাজের এজেন্ডার প্রতিফলন থাকা উচিত। কারণ এদেশে প্রতি ৩ জনে একজন ভোটার যুবক। এজন্য তাদের এজেন্ডা বাদ দিয়ে কিংবা যুব সমাজের চিন্তার গুরুত্ব না দিয়ে কোনো টেকসই উন্নয়ন হতে পারে না।

১৪ অক্টোবর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের উদ্যোগে ‘যুব সম্মেলন-২০১৮, বাংলাদেশ ও এজেন্ড ২০৩০- তারুণ্যের প্রত্যাশা’ শীর্ষক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম এক প্রাক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ সিপিডি‘র সিনিয়র ফেলো ও আয়োজক সংঠনের আহ্বায়ক প্ল্যাটফরমের পক্ষে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য এসব কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসডিজি বাস্তবায়নে ২০১৬ ও ২০১৭ সালে বাংলাদেশে দুইটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৪ অক্টোবর আরেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনে মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, গ্রাম ও শহরে বসবাসরত যুবকদের মাঝে এসডিজি‘র বিভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য তুলে ধরা, জাতীয় উন্নয়ন সর্ম্পকে যুবকদের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা তুলে ধরার জন্য ক্ষেত্র প্রস্তুত করা এবং স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে নীতিবিষয়ক বিষয়ে যুবকদের মতামত কার্যকরভাবে তুলে ধরা।

দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে জাতীয় পর্যায়ে যেসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি তার নেতৃত্ব দিবে আজকের যুবসমাজ। এই যুব সমাজের প্রত্যাশা, তাদের আকাঙ্ক্ষাকে নীতিতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি বলেন, তিন কোটি যুব ভোটারদের মনোভাবকে আমাদের বুঝতে হবে, নেতৃবৃন্দকে জানতে হবে এবং দেশের কাজে লাগাতে হবে।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের ৮০ শতাংশ মানুষের জন্ম হয়েছে। দেশে ১০ কোটি ভোটারের মধ্যে তিন কোটি নতুন ভোটার হয়েছেন। এটি দেশের মোট ভোটারের প্রায় ৩০ শতাংশ অর্থ্যাৎ প্রতি তিনজন ভোটারের মধ্যে একজন ভোটার যুবক। তাই সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে এই নতুন ভোটারদের তথা যুবকদের প্রত্যাশার প্রতিফলন থাকতে হবে।

প্রাক সংবাদ সম্মেলনে টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘে ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন (এসডিজি) অর্জনে অন্যান্য দেশের মতই কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ। নাগরিক প্ল্যাটফর্মের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, এসডিজি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা রাখা, স্বচ্চতা ও নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াকে কার্যকর ফলপ্রসূ করা।

তিনি বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। এটি বাস্তবায়ন করা না গেলে আমাদের তরুণ সমাজই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন আয়োজক সংগঠনের আহ্বায়ক শাহীন আনাম, অ্যাকশন এইডের ম্যানেজার নাজমুল আহসান, ব্র্যাকের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. আজাদ রহমান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, রূপান্তমুখী এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট (এসডিজি) বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সংস্থা এবং নাগরিক সমাজের যথাযথ অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। এই লক্ষ্যে দেশের নাগরিক সমাজের উদ্যোগে জুন ২০১৬ সালে গঠিত হয়েছে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ। এই প্ল্যাটফর্মের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এসডিজি সর্ম্পকে অংশীজনদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধি, বাস্তবায়নের বিভিন্ন পর্যায়ে সরকারের পাশাপাশি সক্রিয় ভূমিকা রাখা এবং এ প্রক্রিয়ার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

আরোও পড়ুন...