| |

সর্বশেষঃ

২৭ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচন হতে পারে : অর্থমন্ত্রী

আপডেটঃ ৬:৫০ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : আগামী জাতীয় নির্বাচনকালীন সময়ে দায়িত্ব পালনের জন্য অন্তর্বর্তী সরকার ২০ দিনের মধ্যেই গঠন হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বলেছেন, এই সরকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘মডেল’ অনুযায়ী হবে।

বুধবার বিকালে সচিবালয়ে নিজ দফতরে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নব নির্বাচিত মেয়র আরিফুল হকসহ কাউন্সিলররা মন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন। এরপর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আগামী ২৭ ডিসেম্বরের শেষে জাতীয় নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর এ জন্য তফসিল ঘোষণা হবে অক্টোবরে।

আওয়ামী লীগের আগের আমলে নির্বাচকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের পর নির্বাচিত সরকারের অধীনেই ভোট হয়েছে ২০১৪ সালে। আর এই নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালের শেষ দিকে নিয়মিত সরকারের বদলে শপথ নেয় নির্বাচনকালীন মন্ত্রিসভা।

অর্থমন্ত্রী এর আগে জানান, তিনিও নির্বাচনকালীন এই মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন। তবে আর কারা থাকছেন, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো নাম পাওয়া যায়নি।

তুলনামূলক ছোট আকারের এই মন্ত্রিসভায় এবার ২০জন সদস্য থাকতে পারেন বলে ঢাকাটাইমসকে জানিয়েছিলেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম।

২০১৩ সালের নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির প্রতিনিধি আহ্বান করা হলেও এবার তা করা হচ্ছে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে সরকার। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বিএনপি জামায়াত জোটের শরিক এলডিপি সভাপতি অলি আহমেদ রাজি হলে তাদেরকে টেকনোক্রেট কোটায় মন্ত্রী করা হতে পারে।

তবে নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপি থাকার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপির থাকার কোনও সুযোগ নেই। কারণ বর্তমান সংসদে দলটির কোনও প্রতিনিধি নেই।’

‘পত্র-পত্রিকায় দেখেছি, নির্বাচনকালীন সরকারে নাকি সুশীল সমাজের প্রতিনিধিও থাকবেন। কিন্তু এ তথ্যটি ঠিক নয়। নির্বাচনকালীন সরকারে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি থাকার কোনও সুযোগ নেই।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যে কারণে নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপি থাকতে পারছে না, সেখানে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি থাকে কী করে? তাহলে তো আইন ভঙ্গ হবে। নির্বাচনকালীন সরকারে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি থাকার সুযোগ থাকলে তো বিএনপিও থাকতে পারতো।’

তবে মন্ত্রিসভায় যারাই থাকুক, আগামী নির্বাচন পুরোপুরি গ্রহণযোগ্য হবে বলেও নিশ্চয়তা দেন মুহিত। বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনে অনেক সংস্কার হয়েছে। এবার নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে।’

এ সময় ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিন-ইভিএম নিয়েও কথা বলেন অর্থমন্ত্রী। বলেন, ইভিএম ছাড়া নির্বাচন কখনোই পুরোপুরি সুষ্ঠু করা সম্ভব নয়।

আগামী নির্বাচনে একশ আসনে ইভিএম ব্যবহারের প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছিল নির্বাচন কমিশন। এ জন্য দেড় লাখ যন্ত্র কেনার পরিকল্পনাও করেছে নির্বাচন কমিশন।

তবে বিএনপি ইভিএম ব্যবহারের ঘোর বিরোধী। তাদের দাবি, এই যন্ত্রে কারচুপি করা সম্ভব এবং এ কারণেই এগুলো ব্যবহার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, তিনি ইভিএম ব্যবহারের পক্ষে। তবে এটি তাড়াহুড়া করে চাপিয়ে দেওয়ার বিষয় না। আর সরকার প্রধানের এই বক্তব্যের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা জানিয়েছেন, অল্প কিছু আসনে বা কিছু কেন্দ্রে এই যন্ত্র ব্যবহার করবেন তারা।

২৭ ডিসেম্বর নির্বাচন করার চিন্তা

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি শুনেছি নির্বাচন কমিশন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ২৭ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠানের চিন্তা করছে। নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। আর আগামী নির্বাচনে বিএনপি না এলে তারা শেষ হয়ে যাবে।’

আরোও পড়ুন...

HostGator Web Hosting