| |

সর্বশেষঃ

অস্বাভাবিক ভূতের সরকার আনার চেষ্টা হচ্ছে : তথ্যমন্ত্রী

আপডেটঃ ৬:৩২ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, ড. কামালরা যে পাঁচটি প্রস্তাব দিয়েছেন এটা অগ্রহণযোগ্য। এ প্রস্তাব মেনে নেয়ার কোনো সুযোগ নেই। তাদের পাঁচ দফা মেনে নিলে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হবে।

তিনি বলেন, তাদের প্রস্তাব মানতে গেলে সরকারের সময়সীমা শেষ হবে, সংসদ শেষ হবে, সংবিধানও শেষ হবে। তখন একটি সাংবিধানিক শূন্যতাও তৈরি হবে। এ সুযোগে একটি অস্বাভাবিক ভূতের সরকার বাংলাদেশের উপর আছর করবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ দফতের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এর আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের যে ব্যবস্থা বাতিল হয়েছে, সেখানে বিচার বিভাগকে সরকার গঠন প্রক্রিয়ায় জড়িত না করার সুস্পষ্ট রায় রয়েছে। সুতারাং সেই অবস্থায় বিচার বিভাগকে বাদ দিয়ে নিরপেক্ষ ব্যক্তি খুঁজতে হবে। তাহলে এখানে পরিষ্কার যে, সবগুলো রাজনৈতিক দল একমত না হলে নির্দলীয় সরকার গঠন সম্ভব হবে না। তা কিভাবে সম্ভব হবে?

ইনু বলেন, নির্বাচনের যখন তিনমাস বাকি, কিছু ব্যক্তি নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহণ না করে নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনা না করে সংবিধান বহির্ভূতভাবে শেখ হাসিনা সরকারের পতদ্যাগ ও সংসদ বাতিলের দাবি করছে।

তার মতে, এটা সাংবিধানিক একটি শূন্যতা তৈরি করে দেবে। এই মুহূর্তে যদি একটি নির্বাচিত সরকার পতদ্যাগ করে এবং সংসদ বাতিল হয়ে যায় তাহলে দেশ একটি সাংবিধানিক শূন্যতায় পড়ে যায়। তাহলে এই অন্তবর্তী সময়ে কে দেশ চালাবে?

তথ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা কোনো আলোচনা না করে বলছেন- আগে পদত্যাগ করো, সংসদ বাতিল করো, তারপর নির্বাচন কমিশন সংস্কার করো, তারপর আলোচনায় যাব। এটা হয় না।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের মনে আছে বিএনপি এর আগে বলেছিল বাংলাদেশে যতগুলো দল আছে সব দলের সাথে পর্যায়ক্রমে আলোচনা করতে হবে, যতক্ষণ না ঐকমত্য তৈরি না হয়। তাহলে এভাবে আলোচনা করে যতক্ষণ পর্যন্ত ঐকমত্য না হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত তথাকথিত নির্দলীয় সরকারের ১০ জন ব্যাক্তি মনোনয়ন দিতে পাচ্ছেন না।

‘অন্যদিকে সাংবিধানিকভাবে নির্বাচনটা নির্দিষ্ট সময়ে করতে হবে। পাঁচ বছরের আগে করার বিধান আছে কিন্তু এ সময় অতিক্রম করতে পারবেন না। এমনকি ৫ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। তাই তারা যে নির্দলীয় ব্যাক্তিদের দিয়ে সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে এটা যৌক্তিক নয়। তারা বলেছে নির্দলীয় ব্যক্তি। আসলে কারা নির্দলীয় ব্যক্তি? সবাইতো কোনো না কোনো দলকে সমর্থন করে’ যোগ করেন ইনু।

ঐক্য প্রক্রিয়ার দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, এই দাবিগুলো টোটালি বিএনপি-জামায়াতের দাবির ফটোকপি মাত্র। সেনা মোতায়েনের দাবি আমরা নাকচ করছি। আগামী নির্বাচন নিয়ে তাদের কোনো সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব বা দাবি নেই।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, তারা দাবি করছে- ‘সব রাজনৈতিক দলের’ নেতাকর্মীদের মুক্তি দিতে হবে। এখানে ‘সব রাজনৈতিক দল’ শব্দের আড়ালে যুদ্ধাপরাধ, একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলা, জঙ্গি, সন্ত্রাস ও আগুন সন্ত্রাসের অভিযোগে আটক বা দণ্ডিতদের মুক্তি চাওয়ারই নামান্তর।

আরোও পড়ুন...

HostGator Web Hosting