| |

Ad

সর্বশেষঃ

/ কৃষি ও পরিবেশ

শেরপুরের সীমান্তে চা-চাষের উজ্জল সম্ভাবনা

সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮

শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি : শেরপুর জেলা ৫টি উপজেলা নিয়ে গঠিত। তন্মধ্যে ৩টি উপজেলা পাহাড়ী সীমান্ত অঞ্চল। এ অঞ্চলের ভূমি উঁচু-নিচু পাহাড়ী অঞ্চলের লাল ইটেল মাটি হওয়ার কারণে সাধারণ ফসল ধান, পাট বা অন্যান্য ফসল তেমন একটা চাষাবাদ হয় না। যে কারণে এ অঞ্চলে ধান, পাট চাষাবাদ করে তেমন লাভবান হয় না। ফলে হাজার হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি পতিত পড়ে থাকে বছরের পর বছর। কিছু সমতল ভূমিতে কৃষকেরা নানা জাতের শাক-সবজি চাষাবাদ করে। আর উঁচু-নিচু জমিতে নানা ধরণের ফলদ বৃক্ষ রোপন করে থাকে। কিন্তু এই সমস্ত উৎপাদিত সবজি ও ফলদ বৃক্ষের ফল ভারত থেকে নেমে আসা বন্যহাতির দল খেয়ে সাবার করে করে দেয়। বন্যহাতিকে বাঁধা দিতে গেলেই কৃষকের জীবন দিতে হয় বন্যহাতির কাছে। দীর্ঘ ২ যুগ থেকে...

পাটের ফলন বিপর্যয়, দামে হতাশ চাষি

সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৮

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম পাট উৎপাদিত এলাকা ঝিনাইদহ। কিন্তু এবার এই এলাকায় সোঁনালী আঁশ পাটের মারাত্মক ফলন বিপর্যয় হয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে চলতি মৌসুমে পাটের এই ফলন বিপর্যয় বলে জানিয়েছে কৃষকেরা। একই কথা বলছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর। সরেজমিনে দেখা যায়, তবুও কেউ পাট কেটে নদী, খাল, পুকুর, বিল ও ডোবায় জাঁক দিচ্ছেন। অনেকে আবার ডোবার পানি না পাওয়ায় জাঁক দিতে পারছে না। কেউবা আবার আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত। রাস্তার দুই ধারে ও বাড়ির উঠানে বাঁশের আড়ে চলছে পাট শুকানোর কাজ। কেউ হাট-বাজারে পাট বিক্রির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে কেউবা বিক্রি করে লাভ না হওয়ায় হতাশ। জেলার বিভিন্ন হাট-বাজাররের ব্যবসায়ীরা বলছে, লোকসানের...

কিশোরগঞ্জের নারিকেলী কচু বিদেশেও রফতানি হচ্ছে

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০১৮

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর উপজেলায় কচু চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখানে কচু চাষ অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক। এই উপজেলায় রামদী, মনোহরপুর, জগৎচর, গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর, সালুয়া, চরকামালপুরসহ আরো অনেক এলাকায় কচুর আবাদ হয়। উপজেলায় সাধারনত দুই জাতের কচুর আবাদ হয়। সাদা কচু এবং নারিকেলী কচু। নারকেলী কচুর চাহিদা ও বাজারমূল্য বেশি থাকায় কৃষকরা এই কচু আবাদে আগ্রহী বেশি। কুলিয়ারচর উপজেলার কচু ইউরোপ, ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড, স্পেন, ব্রাজিল, সৌদী আরব, দুবাই, কাতার, কুয়েত মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। সালুয়া ইউনিয়নের চরকামালপুরের কচু চাষি মনির হোসেন মঞ্জিল বলেন, প্রতি বছর কচু চাষ করি। এক কানি জমিতে নারিকেলী কচু চাষ...

টাঙ্গাইলে আখের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক

আগস্ট ২৮, ২০১৮

টাঙ্গাইলে প্রতিনিধি : রোগবালাই ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ না থাকায় টাঙ্গাইলে এবার আখের আশানুরূপ উৎপাদন হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় ক্ষেত থেকে আগাম আখ কেটে বাজারে বিক্রি করছেন চাষিরা। বাজারমূল্য কিছুটা চড়া হলেও সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই খুশি। তাই ধুম পড়ে গেছে আখ কাটা ও বিক্রিতে। উৎপাদিত আখের আশানুরূপ দাম পেয়ে খুশি চাষিরা। তবে সরকারি কোনো উদ্যোগ না থাকায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে টাঙ্গাইলে আখ চাষ করেছেন চাষিরা। অপরদিকে বেশি লাভ পাওয়ায় আখ চাষে ঝুঁকছেন টাঙ্গাইলের কৃষকরা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর জেলায় ৬৯৯ হেক্টর জমিতে আখ চাষ হয়েছিল ও ৩৩ হাজার ৫৭৪ মেট্রিক টন উৎপাদন হয়েছিল। এ বছর টাঙ্গাইলে ৫৫৯ হেক্টর জমিতে আখের...

খরায় পুড়ছে ক্ষেত, আমনেও ভরসা সেচ

আগস্ট ২৮, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকের হাজার হাজার হেক্টর আমন ক্ষেত পানি শূন্যতায় পড়েছে। কৃষকের অধিকাংশ আমনের ক্ষেত খাঁ খাঁ করছে। বৃষ্টি না হওয়ায় জমিগুলো ফেটে চৌচির হচ্ছে। কোনো জায়গায় খরায় পুড়ে যাচ্ছে আমন ধান গাছ। এ অবস্থায় কৃষক বাড়তি পয়সা খরচ করে শ্যালোমেশিন ও বিদ্যুৎচালিত সেচের উপর ভরসা করেই ফসল বাঁচানোর অবিরাম চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবুও এখানকার কৃষকরা আকাশের দিকে বৃষ্টির অপেক্ষায় তাকিয়ে আছেন। কৃষকরা বলেন, বৃষ্টির উপর নির্ভরশীল এই আমন ক্ষেতে বৃষ্টির পানি অপরিহার্য। বৃষ্টি না হলে ফসলে পোকার আক্রমণ ও রোগ-বালাই দেখা দিয়ে উৎপাদনে ভাটা পড়বে। জ্যোতিন্দ্রনারায়ন গ্রামের কৃষক গোলাম রব্বানী (৫০) জানান, বৃষ্টি না হওয়ায় খরায় তার...

চরের অভাব ঘুচিয়েছে সবজি

জুলাই ১৮, ২০১৮

জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন চরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চরের জমিতে সব সবজি চাষ করে অভাব ঘুচিয়েছে সবজি চাষ। এক সময় বকশীগঞ্জের চরাঞ্চলে কেবলই ধান, পাট, গম চাষ করতেন কৃষক। কিন্তু ফলন কম হওয়ার কারণে এবং উৎপাদন খরচ অধিক হওয়ায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কৃষক অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতেন। অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়তেন। সেই অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। এখন বকশীগঞ্জের বালুর চর, টেরির চর ও মেরর চরসহ বিভিন্ন চরে পটল, কাকরোল, ঝিঙা, চালকুমড়ো, শসা, টমোটো, লাউ, মিষ্টি কুমড়ো ও পুইশাক চাষ হচ্ছে। সবজি চাষে ভালো লাভ হওয়ার কারণে চরের কৃষক এখন যেমন পারিবারিক চাহিদাগুলো মেটাতে পারছেন, তেমনি কিছু সঞ্চয়ও করতে পারছেন। এ সবই সম্ভব হয়েছে সরকারের কৃষি অফিস...