| |

সর্বশেষঃ

/ কৃষি ও পরিবেশ

ঝুড়িতে নেমেছে গুটি আম, সরবরাহ কমে দাম বেশি

মে ১৬, ২০১৯

বিশেষ সংবাদদাতা : রাজশাহীতে প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময় মেনেই আম পারা শুরু হয়েছে। বুধবার (১৫ মে) থেকে আগাম জাতের গুটি আম ভাঙছেন চাষিরা। তবে রাজশাহীর হাট-বাজারে আমের উপস্থিতি কম। তাই দামও বেশি। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজান মাস চলছে। সাধারণত এই সময় আমের বেচাকেনা অন্যান্য সময়ের তুলনায় কিছুটা কম হয়। এছাড়া কেবলই গুটি আম ভাঙা শুরু হয়েছে। জাত আম গেপালভোগ এখনও ভাঙার অনুমতি নেই। ফলে ভালো মানের সুস্বাদু আমগুলো গাছে পরিপক্ব হতে আরও সময় বাকি আছে। যে কারণে এখনই তড়িঘড়ি করে বাগান থেকে আম ভাঙতে চাইছেন না চাষিরা। ঈদের পর ভালো দামের আশায় এখনও আমের পরিচর্যা নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন রাজশাহী অঞ্চলের চাষিরা। আম ভাঙার একদিন পর বৃহস্পতিবার (১৬ মে)...

দুই মণ ধানেও মিলছে না একজন শ্রমিক!

মে ১৩, ২০১৯

ফুলপুর প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ফুলপুরে দুই মণ ধানের দামেও মিলছে না একজন শ্রমিক। দাম কম ও শ্রমের মজুরি বেশি হওয়ায় কৃষকরা চরম হতাশায় দিন পার করছেন। জানা যায়, উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় বর্তমানে একজন শ্রমিকের দুই বেলা খাবারসহ দৈনিক মজুরি দিতে হচ্ছে এক হাজার টাকা। ফুলপুর সদরের আমুয়াকান্দা বাজারে রোববার প্রতিমণ ধান মোটা ৫০০ ও চিকন ৫৫০ টাকা দর পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। গ্রামাঞ্চলের বাজারগুলোতে আরও ৬০ থেকে ৭০ টাকা কম দরে ধান বিক্রি হয়ে থাকে। তাও আবার মহাজনদের ওজনে প্রতিমণ ধানে ২ থেকে ৩ কেজি করে বেশি নেয়ারও অভিযোগ রয়েছে। কৃষকের দাবি প্রতিমণ ধান উৎপাদনে খরচই হচ্ছে ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা। এ দামে ধান বিক্রি করে প্রতিমণে লোকসান গুণতে হচ্ছে ৩০০ টাকারও বেশি। এখনও...

ফলনে খুশি হলেও বিক্রিতে মাথায় হাত

মে ১১, ২০১৯

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের সখীপুরে ইরি বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। তবে এ ধান উৎপাদনে ব্লাস্টের আক্রমণ, শ্রমিক সংকট ও ধানের ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গত ৪ মে ঘূর্ণিঝড় ফণীর দাপটে মাঠের ধান মাটিতে ও আবার নিচু জমিতে পানি জমে থাকায় আরও বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। অপরদিকে মৌসুমের শুরুতেই ধানের বাজারে ধস নামায় হতাশ উপজেলার চাষিরা। চরা দামে বীজ, সার, কীটনাশক ও মজুর দিয়ে ধান চাষ করে কাটার পর কৃষক পাচ্ছেন না তাদের ধানের ন্যায্য মূল্য। ফলনে খুশি হলেও বিক্রি করতে গিয়ে চাষিদের মাথায় পড়েছে হাত। বর্তমান বাজারে ধানের দাম প্রকারভেদে ৫শ টাকা থেকে ৬শ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। বাজারে পাইকার...

ভেঙে পড়লো আরো একটি বাঁধ, নিমজ্জিত ফসল

মে ০৮, ২০১৯

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকানার বারহাট্রার পর এবার কলমাকান্দার উদ্বাখালি নদী সংলগ্ন গোড়াডোবা বাঁধটিও ভেঙে পড়েছে। এতে নিমজ্জিত হচ্ছে বিস্তীর্ণ বোরো ফসল। মঙ্গলবার সকালে গোড়াডোবা বাঁধটি একটি অংশ ভেঙ্গে হাওরে পানি ঢুকতে শুরু করে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। কৃষকদের ধারণা, মধ্যনগর এলাকার কিছু মৎস্যজীবী মাছ ধরার উদ্দেশ্যে কৌশলে বাঁধটি ভেঙ্গে দিয়েছে। কলমাকান্দা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ জানান, ওই হাওড়ে ৮শ ৪০ হেক্টর জমি রয়েছে। এর মধ্যে ৭শ ৫০ হেক্টর জমির ধান কাটা হয়ে গেছে। বাদ বাকি জমিতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার বিকাল নাগাদ ২০ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে বলেও জানান তিনি। অন্যদিকে স্থানীয় কৃষকরা আরো জানান, গোড়াডোবা বাঁধ...

এক মণ ধানেও মিলছে না একজন শ্রমিক!

মে ০৭, ২০১৯

ফুলপুর প্রতিনিধি : মময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও এক মণ ধানেও মিলছে না একজন শ্রমিক। বাজারে ধানের দাম কম ও শ্রমের মজুরি বেশি হওয়ায় কৃষকরা চরম হতাশায় পড়েছেন। এলাকায় বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুম চলছে। এ বছর শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও ধান কাটার কাজ করছেন। জানা গেছে, এলাকায় বর্তমানে একজন শ্রমিকের দুই বেলা খাবারসহ দৈনিক মজুরি দিতে হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকা। অন্যান্য খরচসহ কৃষকের ধান কাটা ও মাড়াইয়ে প্রতি মণে খরচ হচ্ছে প্রায় ৮০০ টাকা। বর্তমানে বাজারে প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬৫০ টাকা। ছনধরা ইউনিয়নের কৃষক শামসুদ্দীন, সিংহেশ্বর ইউনিয়নের কৃষক সোহাগ মিয়া ও কছিম উদ্দিনসহ অনেকেই জানান, ধানের...

হাওরে বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে ৫ হাজার হেক্টর বোরো জমি

মে ০৭, ২০১৯

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : বারহাট্টা উপজেলার চিরাম ইউনিয়নের পুটকিয়া নামক জায়গায় সোমবার (৬ মে) ভোরে সিঙ্গার বিল সাবমার্জেবল প্রজেক্টের প্রায় ৬০ ফুট ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে গেছে। এতে ওই এলাকার তিনটি হাওরের পাঁচ হাজার হেক্টর বোরো জমিতে পানি ঢুকেছে। আরও ১০ হাজার হেক্টর জমিতে পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় মানুষ বাঁধটি মেরামত করছেন। নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বারহাট্টার চিরাম ও আসমা ইউনিয়নে প্রায় ২০ কিলোমিটার ফসল রক্ষা বাঁধ রয়েছে। ওই বাঁধের প্রায় সাত কিলোমিটার সাবমার্জেবল যা বর্ষায় ডুবে যায়। এবার উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও একদিনের বৃষ্টিতে কংশ নদীর শাখা গুমাই নদীতে পানি বেড়েছে।...