| |

সর্বশেষঃ

/ কৃষি ও পরিবেশ

জামালপুরে গুদামের অভাবে নষ্ট হচ্ছে ৫৬ কোটি টাকার সার

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১৯

জামালপুর সংবাদদাতা : জামালপুরের সরিষাবাড়িতে যমুনা সার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের কারণে গত ১০ মাস ধরে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। ফলে জামালপুর, শেরপুর, টাঙ্গাইল ও উত্তরবঙ্গের ১৬ জেলাসহ ১৯ জেলার কৃষকদের চাহিদা পূরণ করতে বিদেশ থেকে ইউরিয়া সার আমদানি করা হয়। গুদামের অভাবে আমদানি করা ২৮ হাজার মেট্রিক টন সার প্রশাসনিক ভবনের সামনে খোলা আকাশের নিচে ত্রিপল ও পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে, যার বাজার মূল্য ৫৬ কোটি ১১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। কৃষক ও ডিলারদের অভিযোগ, অরক্ষিত অবস্থায় রাখায় রোদ,বৃষ্টিতে ভিজে ও গলে জমাট বেঁধে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এই সার। প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ১০ নভেম্বর ইউরিয়া প্ল্যান্টে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে যমুনা সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ১২ দিন মেরামতের...

টাঙ্গাইলে বাড়ছে আখের চাষ, লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১৯

টাঙ্গাইল সংবাদদাতা : টাঙ্গাইলে বাড়ছে আখ চাষের আবাদ। আর আখ চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। বিগত কয়েক বছর ধরে কৃষকরা আখ চাষ করে প্রত্যাশিত ফলন পাচ্ছেন। তারই ধারাবাহিকতায় এবারও জেলার কৃষকরা আখ চাষে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন। ফলন ভালো হওয়ায় ক্ষেত থেকে আগেভাগেই আখ কেটে বাজারে বিক্রি করার জন্য তুলছেন তারা। বাজারমূল্যও পাচ্ছেন ভালো। আখের আশানুরূপ দাম পেয়ে খুশি চাষীরা। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের চাড়াবাড়ি এলাকার চাষি জলিল মিয়া বলেন, ‘এ বছর আমি ৪ বিঘা জমিতে আখ চাষ করেছি। আর জমি তৈরি, চারা কেনা, শ্রমিক, সার, কিটনাশকসহ আমার খরচ হয়েছে প্রায় ৮৫ হাজার টাকা। আশা করছি দেড় লাখ টাকার উপরে আখ বিক্রি হবে।’ চাষী হাসান আলী মিয়া বলেন, ‘এ বছর আমি দেড় বিঘা জমিতে...

আটপাড়ায় পাট চাষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন কৃষকরা

আগস্ট ০২, ২০১৯

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : দেশি জাতের পাট বীজ না পাওয়া, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ও পাট চাষের উৎপাদন খরচ না উঠাসহ বিভিন্ন কারণে সোনালী আঁশ পাট চাষ থেকে দিন দিন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন আটপাড়ার কৃষকরা। পাট আবাদের সময় প্রথম দিকে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলেও পরে সময় মতো বৃষ্টিপাত হওয়ায় পাটের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগ। উপজেলা কৃষি অফিসের সূত্র মতে দেশী ৩০, কেনাফ ৭৮৫, মেস্তা ০৫=সর্বমোট ৮২০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। কৃষকরা বলছেন, ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে পাটের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। ফলে উৎপাদন খরচ তুলতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। তাই লোকসানের ভয়ে দিন দিন পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন আটপাড়ার কৃষকরা। তবে...

গারো পাহাড়ের সবজি যাচ্ছে বিদেশে

জুলাই ১৩, ২০১৯

শেরপুর প্রতিনিধি : প্রথমবারের মতো শেরপুরের ঝিনাইগাতীর গারো পাহাড়ের উৎপাদিত সবজি রফতানি হচ্ছে। জুন মাসে তিন দফায় সাড়ে চার মেট্রিক টন সবজি রফতানি হয়েছে। আড়তদার সুরুজ আলীর মাধ্যমে ঢাকার এ এস ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড কুয়েতে এসব সবজি রফতানি করেছে। সবজির মধ্যে রয়েছে কাঁকরোল, করলা, ঝিঙ্গা ও চিচিংগা। স্থানীয় বাজারে কাঁকরোল, করলা, ঝিঙ্গা ও চিচিংগা বিক্রি হয় ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে। বিদেশে রফতানিকারক কোম্পানির প্রতিনিধির কাছে তা বিক্রি করা হয় ৩৬ থেকে ৩৮ টাকায়। এতে কৃষকরা আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছেন সবজি চাষে। গোমড়া গ্রামের কৃষক জয়নাল বলেন, ‘দুই বছর ধরে কাঁকরোল চাষ করছি, লাভও বেশি পাচ্ছি। এ বছর চার কাঠা (২০ শতংশ) জমিতে কাঁকরোল চাষ করেছি। খরচ হয়েছে মাত্র...

হলুদ রংয়ের তরমুজ চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা

জুন ১৫, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : দিনাজপুরের হিলিতে পরীক্ষামূলকভাবে তাইওয়ানের গোল্ডেন ক্রাউন জাতের হলুদ রংয়ের তরমুজ চাষ করে সাড়া তৈরি করেছেন সোহেল রানা নামের এক যুবক। বাজারে ভালো চাহিদা ও দাম থাকায় এবং লাভজনক প্রমাণিত হওয়ায় নতুন জাতের এই তরমুজ চাষে অনেক কৃষক আগ্রহ দেখাচ্ছেন। হিলির দক্ষিণ বাসুদেবপুরের মহিলা কলেজপাড়া এলাকায় হলুদ তরমুজ চাষ করছেন সোহেল রানা। দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ায় প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে এই নতুন জাতের তরমুজ দেখতে তার মাঠে ভিড় করছেন অনেকে। প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা পাইকারি দরে। মাঠ থেকেই পাইকাররা এসব তরমুজ নিয়ে যাচ্ছেন। তরমুজ চাষি সোহেল রানা বলেন, ‘স্থানীয় বাজারে বাবার স্টেশনারি দোকানের পাশাপাশি অনেকটা সখের...

ঝুড়িতে নেমেছে গুটি আম, সরবরাহ কমে দাম বেশি

মে ১৬, ২০১৯

বিশেষ সংবাদদাতা : রাজশাহীতে প্রশাসনের বেঁধে দেওয়া সময় মেনেই আম পারা শুরু হয়েছে। বুধবার (১৫ মে) থেকে আগাম জাতের গুটি আম ভাঙছেন চাষিরা। তবে রাজশাহীর হাট-বাজারে আমের উপস্থিতি কম। তাই দামও বেশি। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজান মাস চলছে। সাধারণত এই সময় আমের বেচাকেনা অন্যান্য সময়ের তুলনায় কিছুটা কম হয়। এছাড়া কেবলই গুটি আম ভাঙা শুরু হয়েছে। জাত আম গেপালভোগ এখনও ভাঙার অনুমতি নেই। ফলে ভালো মানের সুস্বাদু আমগুলো গাছে পরিপক্ব হতে আরও সময় বাকি আছে। যে কারণে এখনই তড়িঘড়ি করে বাগান থেকে আম ভাঙতে চাইছেন না চাষিরা। ঈদের পর ভালো দামের আশায় এখনও আমের পরিচর্যা নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন রাজশাহী অঞ্চলের চাষিরা। আম ভাঙার একদিন পর বৃহস্পতিবার (১৬ মে)...