| |

সর্বশেষঃ

/ কৃষি ও পরিবেশ

টাঙ্গাইলে আখের বাম্পার ফলনে খুশি কৃষক

আগস্ট ২৮, ২০১৮

টাঙ্গাইলে প্রতিনিধি : রোগবালাই ও পোকা মাকড়ের আক্রমণ না থাকায় টাঙ্গাইলে এবার আখের আশানুরূপ উৎপাদন হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় ক্ষেত থেকে আগাম আখ কেটে বাজারে বিক্রি করছেন চাষিরা। বাজারমূল্য কিছুটা চড়া হলেও সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকায় ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই খুশি। তাই ধুম পড়ে গেছে আখ কাটা ও বিক্রিতে। উৎপাদিত আখের আশানুরূপ দাম পেয়ে খুশি চাষিরা। তবে সরকারি কোনো উদ্যোগ না থাকায় ব্যক্তিগত উদ্যোগে টাঙ্গাইলে আখ চাষ করেছেন চাষিরা। অপরদিকে বেশি লাভ পাওয়ায় আখ চাষে ঝুঁকছেন টাঙ্গাইলের কৃষকরা। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর জেলায় ৬৯৯ হেক্টর জমিতে আখ চাষ হয়েছিল ও ৩৩ হাজার ৫৭৪ মেট্রিক টন উৎপাদন হয়েছিল। এ বছর টাঙ্গাইলে ৫৫৯ হেক্টর জমিতে আখের...

খরায় পুড়ছে ক্ষেত, আমনেও ভরসা সেচ

আগস্ট ২৮, ২০১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকের হাজার হাজার হেক্টর আমন ক্ষেত পানি শূন্যতায় পড়েছে। কৃষকের অধিকাংশ আমনের ক্ষেত খাঁ খাঁ করছে। বৃষ্টি না হওয়ায় জমিগুলো ফেটে চৌচির হচ্ছে। কোনো জায়গায় খরায় পুড়ে যাচ্ছে আমন ধান গাছ। এ অবস্থায় কৃষক বাড়তি পয়সা খরচ করে শ্যালোমেশিন ও বিদ্যুৎচালিত সেচের উপর ভরসা করেই ফসল বাঁচানোর অবিরাম চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবুও এখানকার কৃষকরা আকাশের দিকে বৃষ্টির অপেক্ষায় তাকিয়ে আছেন। কৃষকরা বলেন, বৃষ্টির উপর নির্ভরশীল এই আমন ক্ষেতে বৃষ্টির পানি অপরিহার্য। বৃষ্টি না হলে ফসলে পোকার আক্রমণ ও রোগ-বালাই দেখা দিয়ে উৎপাদনে ভাটা পড়বে। জ্যোতিন্দ্রনারায়ন গ্রামের কৃষক গোলাম রব্বানী (৫০) জানান, বৃষ্টি না হওয়ায় খরায় তার...

চরের অভাব ঘুচিয়েছে সবজি

জুলাই ১৮, ২০১৮

জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন চরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চরের জমিতে সব সবজি চাষ করে অভাব ঘুচিয়েছে সবজি চাষ। এক সময় বকশীগঞ্জের চরাঞ্চলে কেবলই ধান, পাট, গম চাষ করতেন কৃষক। কিন্তু ফলন কম হওয়ার কারণে এবং উৎপাদন খরচ অধিক হওয়ায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কৃষক অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতেন। অনেকেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়তেন। সেই অবস্থার পরিবর্তন ঘটেছে। এখন বকশীগঞ্জের বালুর চর, টেরির চর ও মেরর চরসহ বিভিন্ন চরে পটল, কাকরোল, ঝিঙা, চালকুমড়ো, শসা, টমোটো, লাউ, মিষ্টি কুমড়ো ও পুইশাক চাষ হচ্ছে। সবজি চাষে ভালো লাভ হওয়ার কারণে চরের কৃষক এখন যেমন পারিবারিক চাহিদাগুলো মেটাতে পারছেন, তেমনি কিছু সঞ্চয়ও করতে পারছেন। এ সবই সম্ভব হয়েছে সরকারের কৃষি অফিস...

হাওরাঞ্চলে নতুন মাছের সংকট

জুলাই ১৬, ২০১৮

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : দেশের অন্যতম মৎস্য ভাণ্ডার হিসেবে খ্যাত নেত্রকোনার হাওরগুলোতে এ বছর পর্যাপ্ত ডিম না ফোটায় মাছের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে মৎস্যজীবীদের কপালে দুঃশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। স্থানীয় মৎস্য বিশেষজ্ঞরা জানান, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিস্তীর্ণ হাওরগুলো হচ্ছে মিঠা পানির মৎস্য ভাণ্ডার। এই হাওরগুলোতে বছরের ৭/৮ মাস পানি থাকে। বৈশাখ মাসের শুরুর দিকে বৃষ্টিপাতে নেত্রকোনার হাওরগুলোতে নতুন পানি আসতে শুরু করে। নতুন পানি আসার সঙ্গে সঙ্গে সাথে ১৫ বৈশাখ থেকে ৩০ বৈশাখের মধ্যে রুই, কাতলা,বোয়াল,সিং, মাগুর, কৈ, গইন্যা, আইড়, সরপুটি, কাল বাউশ, চিংড়ি, শোল, গজারসহ প্রায় ৫০ প্রজাতির দেশীয় মা মাছ হাওরে প্রচুর ডিম ছাড়ে।...

৬৮ কোটি টাকার আম নিয়ে বিপাকে চাষিরা

জুলাই ০৪, ২০১৮

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঝড় ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকায় এবছর আমের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলে উৎপাদিত ৬৮ কোটি টাকার আম নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। ২০০০ সালে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ উপজেলার ২০ জন চাষিকে ১০০টি করে আম্রপালি চারা দিয়ে প্রদর্শনী প্লট শুরু করে। বর্তমানে উপজেলায় প্রায় সাড়ে ৫০০ আম চাষি ৩০০ হেক্টর জমিতে আম চাষ করেন। উপজেলার প্রতিটি বাড়ির আঙিনায় ছোট-বড় অসংখ্য আম বাগান রয়েছে। এসব আম বাগান থেকে চলতি মৌসুমে আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৮৫ হাজার মেট্রিক টন। এবছর উৎপাদিত আমের বাজার মূল্য ধরা হয়েছে প্রায় প্রায় ৬৮ কোটি টাকা। আমের সংরক্ষণাগার ও বিপণন ব্যবস্থা না থাকায় সখীপুরে উৎপাদিত প্রায়...

ধানের মুড়ি ফসল কৃষিতে নতুন বিপ্লব

জুন ২৮, ২০১৮

শেরপুর প্রতিনিধি : শেরপুরে নালিতাবাড়ী উপজেলায় এখন বোরো ধানের জমিতে মুড়ি ফসল হচ্ছে। উপজেলার পোড়াগাঁও, নন্নী, রামচন্দ্রকুড়া, কাকরকান্দি, নালিতাবাড়ী সদর, রূপনারায়ণকুড়া, নয়াবিল ইউনিয়ন এবং ঝিনাইগাতী উপজেলার কিছু এলাকায় মুড়ি ফসল বেশি লক্ষ্য করা যায়। বিআর-২৬ ও ব্রি ধান-২৮ জাতের জমিতে মুড়ি ফসল বেশি হলেও হাইব্রিড জাতের কিছু ধানের জমিতেও মুড়ি ফসল দেখা যায়। একর প্রতি গড়ে ১০-১৪ মণ ধান পাচ্ছেন কৃষকরা। তবে শীষ আসার সময় যে সকল কৃষকগণ সামান্য যত্ন নিয়েছেন তারা ফলন পাচ্ছেন একর প্রতি ১৬-২০ মণ। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মুড়ি ফসলকে ইংরেজিতে বলে ‘রোটন ক্রপ’। বিশেষত ধান, আখ, কলায় মূল ফসল কাটার পর অবশিষ্টাংশ গোড়া থেকে পুনরায় গাছ হয় ও ফলন পাওয়া যায়। একেই মুড়ি...