| |

সর্বশেষঃ

/ কৃষি ও পরিবেশ

এক মণ ধানেও মিলছে না একজন শ্রমিক!

মে ০৭, ২০১৯

ফুলপুর প্রতিনিধি : মময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও এক মণ ধানেও মিলছে না একজন শ্রমিক। বাজারে ধানের দাম কম ও শ্রমের মজুরি বেশি হওয়ায় কৃষকরা চরম হতাশায় পড়েছেন। এলাকায় বোরো ধান কাটার ভরা মৌসুম চলছে। এ বছর শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেক স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও ধান কাটার কাজ করছেন। জানা গেছে, এলাকায় বর্তমানে একজন শ্রমিকের দুই বেলা খাবারসহ দৈনিক মজুরি দিতে হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকা। অন্যান্য খরচসহ কৃষকের ধান কাটা ও মাড়াইয়ে প্রতি মণে খরচ হচ্ছে প্রায় ৮০০ টাকা। বর্তমানে বাজারে প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬৫০ টাকা। ছনধরা ইউনিয়নের কৃষক শামসুদ্দীন, সিংহেশ্বর ইউনিয়নের কৃষক সোহাগ মিয়া ও কছিম উদ্দিনসহ অনেকেই জানান, ধানের...

হাওরে বাঁধ ভেঙে তলিয়ে গেছে ৫ হাজার হেক্টর বোরো জমি

মে ০৭, ২০১৯

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : বারহাট্টা উপজেলার চিরাম ইউনিয়নের পুটকিয়া নামক জায়গায় সোমবার (৬ মে) ভোরে সিঙ্গার বিল সাবমার্জেবল প্রজেক্টের প্রায় ৬০ ফুট ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে গেছে। এতে ওই এলাকার তিনটি হাওরের পাঁচ হাজার হেক্টর বোরো জমিতে পানি ঢুকেছে। আরও ১০ হাজার হেক্টর জমিতে পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় মানুষ বাঁধটি মেরামত করছেন। নেত্রকোনা পানি উন্নয়ন বোর্ড ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বারহাট্টার চিরাম ও আসমা ইউনিয়নে প্রায় ২০ কিলোমিটার ফসল রক্ষা বাঁধ রয়েছে। ওই বাঁধের প্রায় সাত কিলোমিটার সাবমার্জেবল যা বর্ষায় ডুবে যায়। এবার উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও একদিনের বৃষ্টিতে কংশ নদীর শাখা গুমাই নদীতে পানি বেড়েছে।...

নেত্রকোনায় হাওরে বোরো ধানে চিটা, দিশেহারা কৃষক

এপ্রিল ১৫, ২০১৯

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলে বোরো ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু এ বছর বোরো (ব্রি ধান-২৮ জাতের) ধানে চিটা হওয়ায় ফসলে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। যে কারণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন চাষিরা। সারা বছরের একমাত্র এই ফসলের খরচ ওঠা তো দূরের কথা, ব্যাংক ও মহাজনি ঋণ পরিশোধ নিয়ে এখন চিন্তিত হাওরাঞ্চলের কৃষকরা। নেত্রকোনা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, নেত্রকোনা জেলার পাঁচটি হাওর উপজেলাসহ ১০টি উপজেলায় বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত করা হয় ১ লাখ ৮০ হাজার ৯৫২ হেক্টর জমি। শেষ পর্যন্ত আবাদ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৪ হাজার ৬০০ হেক্টর জমি। এরমধ্যে ২৩ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ধান, ১ লাখ ৬০ হাজার ৪৮০ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল এবং...

শেরপুরে সবার নজর কেড়েছে বেগুনি রঙের ধান

এপ্রিল ১০, ২০১৯

শেরপুর প্রতিনিধি : শেরপুরের নকলা উপজেলার বারইকান্দি গ্রামের কৃষক শামছুর রহমান আবুল এক বিঘা জমিতে ও নালিতাবাড়ী উপজেলার ভেদীকূড়া গ্রামের শাহিনুর আলম ৫ শতাংশ জমিতে বেগুনি রঙের ধান চাষ করেছেন। তাদের ক্ষেতের ধান সবার নজর কেড়েছে। এটি এমন একটি ধানের জাত যার পাতা ও কাণ্ডের রং বেগুনি। শুধু ধান গাছ নয়, চালের রং বেগুনি বলে জানিয়েছেন চাষিরা। তাই কৃষকদের কাছে এখনও পর্যন্ত এ ধানের পরিচিতি বেগুনি রঙের ধান বা পার্পল পেডি হিসেবে। পরীক্ষামূলক এ ধান চাষে আবুল ও শাহিনুরকে স্থানীয় কৃষি বিভাগ থেকে নিয়মিত সার্বিক পরামর্শ দেয়া হয়। এছাড়া ধান ক্ষেত বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। চলতি বোরো মৌসুমে কুমিল্লা থেকে ১০ কেজি বেগুনি রঙের ধানবীজ এনে জমিতে আবাদ করা হয়েছে।...

হাওরে বোরো ধানে চিটা, দিশাহারা কৃষক

এপ্রিল ০৯, ২০১৯

খালিয়াজুড়ী (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি : নেত্রকোনার খালিয়াজুড়ীর হাওরে বোরো ধানে চিটা দেখা দিয়েছে। এছাড়া অব্যাহত ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন হাওরপাড়ের কৃষক। উঠতি বোরো ধানে এ বিপর্যয়ে তারা এখন দিশাহারা। মাত্র কয়েক দিন আগে যে কৃষক সোনার ফসল ঘরে তোলার স্বপ্ন দেখতেন, তারা আজ ধান ক্ষেতের আইলে বসে ডুকরিয়ে কাঁদছেন। আট একর জমির ব্রি-ধান-২৮ মাড়াই করে মাত্র ৮০ মন ধান পেয়েছেন খালিয়াজুড়ীর সরকারহাটির কৃষক কাচু মিয়া। অর্থাৎ একরপ্রতি তিনি ফলন পেয়েছেন মাত্র ১০ মণ ধান। অথচ বরাবর তার এ জমিতে কমপক্ষে ৩৬০ মণ থেকে ৪০০ মণ ধান উৎপাদন হয়। শুধু কাচু মিয়াই নয়, এই হাওরের হাজার হাজার কৃষকের হয়েছে এমন অবস্থা। এই কৃষককূল সবসময় বৈরী প্রকৃতি ও আগাম বন্যার ঝুঁকিতে...

আম মুকুলের ঘ্রাণে সুরভিত টাঙ্গাইলের আকাশ-বাতাস

মার্চ ০৪, ২০১৯

নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল : পথ-ঘাট, মাঠ-প্রান্তর, বাসা-বাড়ি, অফিস-আদালত, স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মন্দির যেখানেই চোখ পড়বে দৃষ্টি সড়ানো যাবেনা থোকা থোকা আমের মুকুলের মনকাড়া সৌন্দর্য্য থেকে, আর মন মাতাল করা আমের মুকুলের মৌ মৌ ঘ্রাণে বিমোহিত-মুগ্ধ হবেই মন। আম মুকুলের ঘ্রাণে সুরভিত টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সমস্ত আকাশ-বাতাস। মন যেন এখনই মধুমাস জৈষ্ঠের অপেক্ষায় পাগলপারা। জানা যায়, উপজেলার প্রতিটি সর্বত্র এলাকাজুড়ে এখন গাছে গাছে শুধু আমের মুকুল আর মুকুল। মুকুলের ভারে যেন নুয়ে পড়ছে প্রতিটি আম গাছ। আর মৌমাছিরা আসতে শুরু করেছে মধু আহরণে। রঙ্গিণ ফুলের সমারোহে যেমন সেঁজেছে প্রকৃতি তেমনি বর্ণিল নতুন সাঁজে সেঁজেছে কালিহাতী উপজেলার সকল আম বাগানগুলো। ভরপুর...