| |

সর্বশেষঃ

  • মুজিব বর্ষ

/ সাহিত্য

বাবাকে নিয়ে বোনের লেখা কবিতা আবৃত্তি করলেন প্রধানমন্ত্রী

মার্চ ১৮, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছোট বোন শেখ রেহেনার লেখা কবিতা আবৃত্তি করলেন বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাবা বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা আবেগঘন সেই কবিতায় হৃদয় ছুয়েছে সবার। মঙ্গলবার রাতে মুজিববর্ষের বিশেষ উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর কবিতা আবৃত্তি সম্প্রচার মাধ্যমে প্রচার করা হয়। টেলিভিশনের কল্যানে তা দেখেছে সারাদেশের মানুষ। ‘বাবা’ শিরোনামের এই কবিতা শেখ রেহানা লিখেছিলেন ২০১০ সালে। বঙ্গবন্ধু যখন বেঁচে ছিলেন তখন তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতেন কিভাবে সেটি উঠে এসেছে কবিতায়। মহান এই নেতা এখন প্রয়াত। তার অনুপস্থিতি কিভাবে জন্মদিনের...

মানবিক মূল্যবোধ তৈরিতে বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম : সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

মার্চ ০৪, ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম : ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, গ্রামে গ্রামে পাঠাগার’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ময়মনসিংহে শুরু হয়েছে সাত দিনব্যাপী ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলা। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এ বইমেলা চলবে। যা শেষ হবে আগামী ১০ মার্চ। বুধবার (৪ মার্চ) দুপুরে নগরের জিমনেসিয়াম প্রাঙ্গণে বেলুন উড়িয়ে ও ফিতা কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে এ বইমেলার উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি। এর আগে, বইমেলা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তরুণ প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ তৈরিতে বইয়ের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই ভালো বই পড়ার প্রতি ছাত্রছাত্রীদের অনুপ্রাণিত...

ভালো-মন্দের দোলাচলে বইমেলা

ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২০

বিশেষ সংবাদদাতা : দেখতে দেখতে শেষ হয়ে এলো অমর একুশে বইমেলা। এবারের বইমেলায় বিগত মেলার চেয়ে বেশকিছু ভালো দিক ছিল। তেমনই মন্দ ও ব্যতিক্রমী দিকও ছিল। তবে ভালো-মন্দ মিলিয়ে এবারের বইমেলা উপভোগ করেছেন লেখক, পাঠক ও দর্শনার্থীরা। এবারের বইমেলা শুরু হয়েছে দীর্ঘ ইতিহাসের ধারাবাহিকতার ব্যত্যয় ঘটিয়ে। ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের কারণে এবার বইমেলা ১ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন হয়নি। ২ তারিখে বইমেলা শুরু হওয়ায় অনেক প্রকাশক মন খারাপ করেছেন। এ বছর ফেব্রুয়ারি ২৯ দিন হওয়ায় প্রকাশকরা যদিও খুশি হয়েছিলেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে প্রকাশনা সংস্থা স্বরবৃত্তের প্রকাশক মো. রহমত উল্লাহ বলেন, ‘এবারের ফেব্রুয়ারি ২৯ দিন হওয়ায় অনেক আশা করেছিলাম যে, একদিন বেশি বিক্রির...

বিদায়ের ক্ষণে বইমেলা উপচেপড়া ভিড়

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০

বিশেষ সংবাদদাতা : বাঙালির প্রাণের মেলা পৌঁছে গেছে শেষ প্রান্তে। আর মাত্র একদিন পরেই সমাপ্তি ঘটবে এ বছরের অমর একুশে বইমেলার। বিদায়ের ক্ষণে তাই বইমেলাজুড়ে প্রতিটি স্টলে, আড্ডায় এখন বিষাদের ছায়া। পাতাঝরা দিনে উপচেপড়া ভিড়ের সঙ্গে জম্পেশ কেনাবেচার মধ্যে বাজছে বিদায়ের সুর। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) মেলা ঘুরে দেখা যায়, সকাল থেকেই মেলায় ছিল উপচেপড়া ভিড়। বিকেলে তা রূপ নেয় জনসমুদ্রে। এদিন সবাই ঘরে ফিরেছেন ব্যাগভর্তি বই নিয়ে। শেষবেলায় মেলায় আগত সবারই ব্যস্ততা ছিল বই সংগ্রহে। প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের বিক্রয়কর্মীদের কাছে তালিকা ধরে বই চাচ্ছিলেন অনেকেই। আর শেষ মুহূর্তে অনেকটাই বিরতিহীনভাবে অটোগ্রাফ দিয়েছেন জনপ্রিয় লেখকরা। এদিন বই বিক্রির হিসাব...

শিশুপ্রহরে ছিল উপচে পড়া ভিড়

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০

ঢাবি প্রতিনিধি : বইমেলার বাকি আছে আর একদিন। শিশুপ্রহরও হবে আর একদিন। শেষ মুহূর্তের মেলায় শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই যেমন ছিল বড়দের ভিড়, তেমনি ছিল শিশুদের ভিড়। যারা শিশুপ্রহরে আসবেন আসবেন বলে ব্যস্ততার জন্য এতদিন আসতে পারেননি, তারাও আজ বাচ্চাদের নিয়ে এসেছেন। ফলে আজ শিশুপ্রহরে ছিল উপচে পড়া ভিড়। শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে মেলা প্রাঙ্গণ খুলে দেওয়া হয়। তখন থেকেই অভিভাবকদের হাত ধরে মেলায় আসে শিশুরা। তবে শিশুপ্রহর শুরু হয় বেলা ১১টার দিকে। শিশুদের প্রধান আকর্ষণ ছিল শিশুপ্রহরের মঞ্চটি। যেখানে হালুম, টুকটুকি আর ইকরি-মিকরিরা নেচে গেয়ে তাদের আনন্দ দেয়। সকাল থেকেই এ মঞ্চে উঠে নাচানাচি শুরু করে শিশুরা। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাদের মঞ্চটি দখলে নেয়...

স্কুল শেষে বইমেলায়

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : ক্লাস শেষ করে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে ওঠা, টইটই করে ঘুরে বেড়ানো। মা-বাবার কাছ থেকে লুকিয়ে বন্ধুর সঙ্গে ঘুরাঘুরি নিজের ইচ্ছেমতো। স্কুল জীবনে এ ধরণের সময় পার করেননি এমন লোক মেলা ভার। তবে সেই সময়টি যদি হয় বইকে ভালোবেসে বইয়ের টানে, তবে তো সে অভিজ্ঞতা অসাধারণ। বলছিলাম তামিম, সুমনা আর নীলিমার কথা। তারা তিন বন্ধু রাজধানীর ধানমন্ডির একটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। সেখান থেকেই ক্লাস শেষ করে চলে এসেছেন বইমেলায়। কথা হলে সুমনা আহমেদ বলেন, প্রতিদিনই বইমেলায় আসবো বলে ভাবি, কিন্তু আর আসা হয়না। স্কুল শেষ করেই বাড়ি ফিরতে হয়। তবে শেষ পর্যন্ত বন্ধুদের সঙ্গে চলেই এলাম বইমেলা। এখানে কত বই। যেন একটা বিশাল বড় লাইব্রেরি। এখানে না আসতে পারলে কি...