সংবাদ শিরোনাম

 

চলমান বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় করণীয় ঠিক করতে আমরা দেশের ব্যবসায়ীদর নিয়ে বৈঠক করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

তিনি বলেন, প্রয়োজনে ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতাদের নিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময় করব।
দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য নতুন প্রজন্ম কাজ করছে। দেশের রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নতি অব্যাহত রাখতে হবে।

সোমবার (২২ নভেম্বর) নতুন শহর পূর্বাচলে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে বাণিজ্যমন্ত্রণালয় এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো আয়োজিত ‘জাতীয় রপ্তানি ট্রফি ২০১৮-২০১৯’ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। ২০২৬ সালে এলডিসি গ্রাজুয়েশন অর্জনের পর দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। গত বছর আমরা ৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছি। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার জন্য আমরা সবাই কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ডিজিটাল হয়েছে, এখন স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ চলছে। নিজ নিজ অবস্থান থেকে আমাদের সবাইকে অবদান রাখতে হবে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআই সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান্যান এ. এইচ.এম. আহসান। ট্রফি প্রাপ্তদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রিফাত গার্মেন্টসের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ এবং পিকার্ড বাংলাদেশ লি. এর উপ-ব্যাবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি)অমৃত মাকিন ইসলাম।

উল্লেখ্য, এবার ৭১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৯টিকে স্বর্ণ, ২৪টিকে রৌপ্য, ১৮টিকে ব্রোঞ্জ ট্রফি এবং সর্বোচ্চ রপ্তানি কারক প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি( স্বর্ণ) দেওয়া হয়।

 


মতামত জানান :

 
 
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম