| |

সর্বশেষঃ

টাঙ্গাইলের যমুনা নদীতে জেগে উঠা চর দ্বীপে পরিণত হচ্ছে

আপডেটঃ ৬:৩৭ অপরাহ্ণ | মার্চ ১৯, ২০১৯

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : অসংখ্য নদ-নদীর দেশ বাংলাদেশ এগিয়েছে নদীকে বাদ দিয়েই। তাই নদীও প্রতি বছর এসেছে ভয়াল রুদ্রমূর্তি নিয়ে। এমনই একটি অবহেলিত এবং প্রকৃতির খেয়ালে বন্দী যমুনা নদী। নদীর একেকটি জেগে উঠা চর একেকটি দ্বীপের মত পরিণত হচ্ছে। মূল নদীতে চর জেগে কয়েকটি চ্যানেলে ভাগ হয়েছে। অন্যদিকে চরের মানুষ মানবেতর জীবন-যাপন করছে। অনেক সময় বৃষ্টি মাথায় নিয়েই বিশার চর পাড়ি দিতে হয় তাদের। আবার খরার সময় মাথার উপর প্রচন্ড সূর্যের তাপ নিয়েই ধু ধু বালুচর পাড়ি দিতে হয় চরের মানুষের। যমুনা নদী শুকিয়ে যাওয়ায় চরের মানুষের দূর্ভোগের যেন শেষ নেই। নদী শাসন না হওয়ায় পানি শুকিয়ে যমুনা নদী এখন মরা খালে পরিণত হয়েছে। এমন চিত্র দেখা গেছে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর যমুনা নদীতে।

জেলার উত্তরে জামালপুর এবং সিরাজগঞ্জের কাজিপুর হতে ভূঞাপুর বঙ্গবন্ধু সেতু পুর্ব পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যমুনা নদী শুকিয়ে কয়েকটি চ্যানেলে ভাগ হয়ে খালে পরিণত হয়েছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, পর্যাপ্ত নাব্যতা না থাকার কারণে যমুনা নদীতে নৌ চলাচল মারাত্মক ব্যাহত হচ্ছে। মাঝ নদীতেই আটকে যাচ্ছে নৌকা। নদীতে চর জেগে উঠায় নৌকাগুলো বিভিন্ন পয়েন্টে রেখে দিয়েছে মালিকরা। দু’একটি নৌকা পালা-বদল করে চলাচল করছে। নির্ধারিত কোন ঘাট না থাকায় নৌকা চালকরা সুবিধামত মানুষ নামিয়ে দিচ্ছে। ফলে কষ্ট করে নৌকায় উঠা-নামা করতে হচ্ছে চরের মানুষের। উপজেলার গাবসারা ও অজুর্না এই দুইটি ইউনিয়নে চর জেগে উঠেছে। নৌকা চলাচল বন্ধ থাকায় এর মালিকরা ভিন্ন পেশায় চলে গেছে। কেউ ইট ভাটায়, কেউ খেতে-খামারে কাজ করছে।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহফিজুর রহমান বলেন, যমুনা নদীর ভূঞাপুর অংশের নদী শাসনের কোন প্রকল্প নেয়া হয়নি। তবে উপজেলার কুঠিবয়ড়াসহ কয়েকটি স্থানে ভাঙনরোধে কাজ শুরু হয়েছে। তবে এরআগে কয়েকটি প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠানো হলেও সেগুলো পাস হয়নি।

HostGator Web Hosting