| |

সর্বশেষঃ

নৌযান শ্রমিকদের ধর্মঘট স্থগিত

আপডেটঃ ১২:৫৩ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ১৭, ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : নৌযান শ্রমিকদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার গভীর রাতে শ্রম অধিদফতরের সভাকক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ানের সঙ্গে আন্দোলনরত মালিক-শ্রমিকদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ধর্মঘট স্থগিতের কথা জানান।

নৌপথে চাঁদাবাজি ও ডাকাতি বন্ধ, ২০১৬ সালের ঘোষিত বেতন স্কেলের পূর্ণ বাস্তবায়ন, ভারতগামী শ্রমিকদের ল্যান্ডিং পাস প্রদান ও হয়রানি বন্ধ, নদীর নাব্যতা রক্ষা, নদীতে প্রয়োজনীয় মার্কা, বয়া ও বাতি স্থাপনসহ ১১ দফা দাবিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দেয় বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ফেডারেশন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নৌযান মালিক ও শ্রমিকদের নিয়ে বৈঠকে বসেন শ্রম প্রতিমন্ত্রী। রাত ১২টার পর বৈঠক শেষ হয়। শেষে দাবি বাস্তবায়নে শ্রম প্রতিমন্ত্রীর আশ্বাসে আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, সোমবার রাতের বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার সকাল থেকে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেও সেটা বাস্তবায়িত হয়নি। নৌযান শ্রমিক নেতাদের মধ্যে বিভেদের কারণেই এমন পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। ফলে শ্রম প্রতিমন্ত্রী আবারও নৌযান ফেডারেশন নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ বৈঠকে শ্রম প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও চৌধুরী আশিকুল আলম, শাহ আলমসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

নৌযান শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে- উৎসব ভাতা প্রদান, গেজেটের মাধ্যমে ছুটি ঘোষণা, নৌযানে সন্ত্রাস চাঁদাবাজি-ডাকাতি-অপহরণ বন্ধে পদক্ষেপ, সরকারি ব্যবস্থাপনায় কল্যাণ তহবিল ও প্রভিডেন্ট ফান্ড গঠন, সমুদ্র পরিবহন অধিদফতরের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধে পদক্ষেপ, নৌযান চলাচলে বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, লাইটারেজ জাহাজের শ্রমিকদের শতভাগ খোরাকি ভাতা ও ঝুঁকি ভাতা প্রদান ইত্যাদি।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত তুলে ধরে শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর গেজেটে উল্লেখিত যেসব বিষয় বাস্তবায়িত হচ্ছে না, সেগুলো লিখিতভাবে শ্রম মন্ত্রণালয় বা শ্রম অধিদফতরকে জানালে সমাধানের উদ্যোগ নেবে সরকার।

এদিকে, ধর্মঘট স্থগিত করায় বুধবার সকাল থেকে ঢাকার সদরঘাটের চিত্র স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। পন্টুনে লঞ্চ ভিড়ছে, যাত্রীরাও আসছেন বিভিন্ন গন্তব্যে পাড়ি দিতে।

HostGator Web Hosting