| |

সর্বশেষঃ

  • মুজিব বর্ষ

১০ লাখেরও বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে

আপডেটঃ 1:17 pm | May 20, 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে আসায় উপকূলীয় এলাকার ঝুঁকিপূর্ণ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হচ্ছে। আজ বুধবার (২০ মে) সকাল পর্যন্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন। বিকাল পর্যন্ত মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে আনা হবে।

আজ বুধবার সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. শাহ কামাল এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, লোকজন আশ্রয়কেন্দ্রে আসতেছে। ১০ লাখের বেশি লোক আশ্রয়কেন্দ্রে চলে এসেছে। ঘূর্ণিঝড়টি সন্ধ্যা নাগাদ আমাদের উপকূল অতিক্রম শুরু করতে পারে। এ বছর স্কুল, কলেজসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুালোকেও আশ্রয়কেন্দ্র করা হয়েছে। এখন তো বাড়ির পাশেই স্কুল, বিকাল পর্যন্ত তো লোকজন আসতে থাকবেই। আমরা চাইছি ঝুঁকিপূর্ণ ২০ লাখের মতো মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে আনতে।

সচিব বলেন, সাতক্ষীরায় আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছে ৩ লাখ ৫৩ হাজার, পটুয়াখালীতে এসেছে ৩ লাখ ২৩ হাজার। খুলনা ও পটুয়াখালীর যে এলাকাগুলো বেশি আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সেই এলাকাগুলোর আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বেশি লোক আসছে। আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে। খাবার-দাবারের ব্যবস্থা করা আছে।

আশ্রয়কেন্দ্র ১২ হাজার ৭৮টি থেকে বাড়িয়ে ১৩ হাজার ২১৫টি করা হয়েছে বলেও জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব।

সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোংলা বন্দর থেকে ৩৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি এখন পর্যন্ত শক্তিশালী। তবে রোদ থাকাটা ক্ষতিকর, তবে বৃদ্ধি হলে এটি দুর্বল হয়। গতকাল বৃষ্টি হলেও এই মুহূর্তে উপকূলীয় এলাকায় তেমন বৃষ্টি নেই।

শাহ কামাল বলেন, আম্ফান যদি সন্ধ্যার মধ্যে উপকূল অতিক্রম শুরু করে তবে আশ্রয় কেন্দ্রে আসা মানুষ হয়তো কাল সকাল থেকে বাড়ি ফিরতে পারবে। তবে সবকিছু নির্ভর করছে পরিস্থিতির ওপর।

প্রবল ঘূর্ণিঝড় আজ বুধবার বিকাল বা সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশের উপকূল অতিক্রম শুরু করতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

HostGator Web Hosting