| |

সর্বশেষঃ

  • মুজিব বর্ষ

ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ২২

আপডেটঃ 3:06 pm | May 22, 2020

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে যাশোরে আরও সাতজনের মৃত্যুর খবর আসায় দেশে এ দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ২২ জন। ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে এ পর্যন্ত আট জেলায় মোট ২২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যাদের বেশিরভাগই ঝড়ে গাছ বা ঘর চাপা পড়ে মারা গেছেন। এর মধ্যে যাশোরে ১২ জন, পিরোজপুরে ৩ জন, পটুয়াখালীতে ২ জন এবং ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, ভোলা, চাঁদপুর ও বরগুনায় একজন করে মারা গেছেন।

সুপার সাইক্লোন আম্ফান শক্তি কিছুটা হারিয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় রূপে বুধবার দুপুরের পর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আঘাত হানে। পরে রাতে এ ঝড় প্রবেশ করে বাংলাদেশে। ঝড়ের মধ্যে প্রবল বাতাসে বহু গাছপালা ভেঙে পড়ে, ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েন দেশের অর্ধেকের বেশি গ্রাহক।

বুধবার রাতে ঝড়ের মধ্যে গাছ ভেঙে পড়ে যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় এক দম্পতি ও বাবা-ছেলেসহ পাঁচজন এবং শার্শায় আরও দুই জনের মৃত্যু হয়, যা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানতে পারেন বৃহস্পতিবার বিকালে। এ নিয়ে জেলায় ঝড়ে ১২ জনের প্রাণহাণির ঘটনা ঘটল। এর আগে বুধবার চৌগাছায় দুইজন, শার্শায় দুজন ও বাঘারপাড়ায় একজনের মৃত্যু হয়।

জেলা প্রশাসক শফিউল আরিফ বলেন, ঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় মণিরামপুরে পাঁজনের মৃত্যুর খবর আগে জানা যায়নি। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ শরিফীর আবুর সঙ্গে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোতে আরও মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি জানান।

এছাড়া শার্শায় ঝড়ের মধ্যে গাছ পড়ে ওই ইউনিয়নের জেলেপাড়ার গোপালচন্দ্র ও মহিপুরা গ্রামের মিজানুর রহমান মারা গেছেন বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মণ্ডল জানান।

এর আগে যশোরের চৌগাছা উপজেলার চাঁদপাড়া ইউনিয়নের চাঁদপুর গ্রামের খ্যান্ত বেগম (৪৫) ও তার মেয়ে রাবেয়া (১৩), বাগআচড়া ইউনিয়নের টেংরা গ্রামে মুক্তার আলি (৩৫), গোগা পশ্চিমপাড়ার ময়না খাতুন (২৫) এবং বাঘারপাড়ার বুদোপুর গ্রামে ডলি বেগমের (৪৮) মৃত্যুর খবর জানিয়েছিলেন স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

HostGator Web Hosting