সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ডিমের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, যাত্রাবাড়ী, হাতিরপুল, শনির আখড়া, কদমতলীসহ বিভিন্ন বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকা ডজন, দেশি মুরগির ডিম ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা, সোনালি মুরগির ডিম ১৪০, হাঁস ১২৫ টাকা, কোয়েলের ডিম ১০০ পিস ২০০ টাকা।

ডিমের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে আলু, পটল, বেগুন বরবটি, ঢেঁড়স, ধুন্দল, ঝিঙা, করলা, পেঁপেসহ প্রায় সব ধরনের সবজি। তবে পেঁয়াজের দাম কিছুটা কমেছে।

কাঁচাবাজার ঘুড়ে দেখা যায়, মান ও বাজার ভেদে বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ১০০ টাকা। গাজরের কেজি মানভেদে ৮০ থেকে ১২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। বরবটির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। চিচিঙ্গার ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, করলা ৫০ থেকে ৭০ টাকা, ঝিঙা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা, কচুর মুখী ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কাকরোল ৬০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৫০ টাকা। আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮ থেকে ৩২ টাকা।

দাম বৃদ্ধির প্রসঙ্গে আলমগীর হোসেন নামে রামপুরা বাজারের এক ক্রেতা বলেন, ডিম ও মুরগির দাম দফায়-দফায় বাড়ছে, বিক্রেতারা ইচ্ছে মতো দাম বাড়ালেও দেখার কেউ নেই। তিন দিন আগে বয়লারের কেজি ১৫০ টাকা ছিল আজ বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের মাংসের ভরসা ফার্মের মুরগি ও ডিমের। বর্তমানে মানুষের আয় কমেছে। এখন এভাবে একের পর এক মাছ-ডিম, মুরগির দাম বাড়া কিসের লক্ষণ?

ডিমের দামের বিষয়ে হাজীপাড়ার ব্যবসায়ী মো. সাবু বলেন, কয়েকদিন ধরে ডিমের চাহিদা বেড়েছে। বিপরীতে সরবরাহ কিছুটা কমেছে। এ কারণেই হয়তো দাম বেড়েছে। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে সামনে দাম আরও বাড়তে পারে।

রামপুরার মুদি দোকানদার মো. শামছু বলেন, গত সপ্তাহে এক পিস ডিম ৮ টাকা এবং হালি ৩০ টাকা বিক্রি করেছি। কিন্তু গতকাল যে ডিম দিয়ে গেছে তার দাম বেশি। এই ডিমের হালি ৩৫ টাকার নিচে বিক্রি করা সম্ভব না।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম