| |

সর্বশেষঃ

ময়মনসিংহ সদর “ন্যাশনাল সার্ভিস” কর্মীদের চাকরি স্থায়ীকরণের দাবীতে হাইকোর্টে রিট, মামলার রুল জারি

আপডেটঃ 7:42 pm | October 22, 2020

বিশেষ প্রতিবেদক : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, মানবতার জননী, মমতাময়য়ী মা, দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনার অগ্রাধিকার ভিত্তিক প্রকল্প “ন্যাশনাল সার্ভিস” কর্মসূচীতে কর্মরতদের কেন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের ও অন্যান্য শূণ্যপদে কেন নিয়োগ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন মহামান্য হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের ও অন্যান্য শূণ্য পদের নিয়োগ দিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তাও জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে। ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৭১ জন “ন্যাশনাল সার্ভিস” কর্মসূচির সদস্যের দায়ের করা রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে এই রুল জারি করা হয়েছে । ওই রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর, ২০২০) ২৭নং কোর্টে বিচারপতি মোঃ খসরুজ্জামান ও মোঃ মাহমুদ হাসান তালুকদার আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সংস্থাপন সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, শিক্ষা সচিব, যুব ও ক্রীড়া সচিব সহ ৬ জনকে এই রুলের জবাব দিতে আদেশ দিয়েছেন মহামান্য হাইকোর্ট। আদালতে রিট আবেদন কারীদের পক্ষে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্ট এর আইনজীবি বর্তমান বার কাউন্সিল এর কোষাধ্যক্ষ ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী।
বিগত ২০১৪ সালের ৩ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি শিক্ষক পুল নীতিমালা ২০১৪ জারি করে। এতে বলা হয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে পুলভুক্ত শিক্ষক ও ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির সদস্যার অগ্রাধিকার পাবেন। ওই সময় তাদেরকে সমপর্যায়ের স্বীকৃতি দেয়া হয়। এর মধ্যে পুলভুক্ত শিক্ষকরা হাইকোর্টে রিট দায়ের করলে তাদের শিক্ষক পদে নিয়োগের বিষয়টি সরকার বাস্তবায়ন করে কিন্তু “ন্যাশনাল সার্ভিস” কর্মসূচির সদস্যরা উপেক্ষিত থেকে যান। তারা বিদ্যমান শূণ্য পদে নিয়োগ না পাওয়ায় এই রিট দায়ের করেন।
রিট আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবি ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালায় পুলভুক্ত শিক্ষকদের মতো ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির সদস্যদের সমপর্যায়ের স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু নিয়োগের ক্ষেত্রে পুলভুক্ত শিক্ষকদের নিয়োগ দেয়া হলেও ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির চাকরিজীবীদের সহকারী শিক্ষকহিসেবে ও অন্যান্য শূণ্য পদের নিয়োগ দেয়া হয়নি। রিটকারীদের মাঝে- মোঃ সবুর উদ্দিন শিকদার (বাপ্পি), মোঃ ওমর ফারুক, বিউটি আক্তার, মালেকুল কুদ্দুস সুমন, নূর-ই-আলম, আসাদুজ্জামান নূর, তাসমেরী সুলতানা, তানিয়া আক্তার, রেহান জেবা, শারমীন আক্তার, শিরীন শিলা, শেফালী রানী বিন্দ, লিপি খাতুন, হাসনা হেনা, কাশিমা রাকিয়া ঝুমা উল্লেখযোগ্য। এই আদালত ২২ অক্টোবর, ২০২০ রোজ- বৃহস্পতিবার ২৭নং কোর্টে রিটের প্রাথমিক শুনানী শেষে রুল জারি করেছেন। হাইকোর্ট রুল নং- ৬৪২৩/২০২০।

HostGator Web Hosting