| |

সর্বশেষঃ

খাসি-গরু-ব্রয়লারের দাম বেড়েছে, স্বস্তি ফিরেছে সবজিতে

আপডেটঃ 2:50 pm | May 09, 2021

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনিসংহ প্রতিদিন ডটকম : সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে খাসি, গরু ও ব্রয়লার মুরগির দাম। তবে, স্বস্তি ফিরেছে কাঁচাবাজারে। গত তিন সপ্তাহের তুলনায় ময়মনসিংহের কাঁচাবাজারে সবজির দাম নাগালের মধ্যে রয়েছে।

এদিকে বাজারে এক মণ ধান বিক্রি করেও এক কেজি খাসির মাংস মিলছে না বলে জানা গেছে।

গত সপ্তাহে গরুর মাংসের কেজি ছিল ৫০০-৫৫০ টাকা। খাসির মাংসের দাম ছিল ৭৫০-৮০০ টাকা। এছাড়া ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১২৫-১৩০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়ে গরুর মাংস ৬০০, খাসি ৮৫০ ও ব্রয়লার মুরগি ১৪০ টাকা।

শনিবার (৮ মে) দুপুরে ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ বাজার ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।

শম্ভুগঞ্জ বাজারের মাংস বিক্রেতা আব্দুর রহিম বলেন, সামনে ঈদ, তাই গরু ও খাসির মাংসের দাম কিছুটা বেড়েছে। ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে বলে দাবি করেন তিনি।

ওই বাজারের মুরগি বিক্রেতা বাপ্পু মিয়া বলেন, ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ১০ টাকা বেড়েছে। দেশি মুরগি ৪৫০-৫০০, সোনালি মুরগির কেজি ২৫০, ব্রয়লার ১৪০ এবং সাদা কক ২০০-২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি হালি ৩২, হাঁসের ডিম ৪০, দেশি মুরগির ডিম ৫০ টাকা হালি।

কথা হয় বাজার করতে আসা কৃষক জমশেদ মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, বাজারে এক মণ আটাশ ধান বিক্রি হয় ৭৫০-৭৮০ টাকা। কিন্তু এক কেজি খাসির মাংসের দাম ৮৫০ টাকা। তাই আধা কেজি খাসির মাংস কিনেছি ৪২০ টাকা দিয়ে।

শম্ভুগঞ্জ বাজারের সবজি ব্যবসায়ী রাশিদুল ইসলাম বলেন, সবজির আমদানি আগের তুলনায় বেড়েছে। তাই দামও গত তিন সপ্তাহের তুলনায় কমেছে দ্বিগুণের বেশি।

তিনি বলেন, কাঁচামরিচ ২৫, আদা ৭০, আলু ১৫-১৮, টমেটো ২৫, শসা ৪০, বেগুন ৩০, চিচিঙ্গা ৩০, পটল ৪০, ঝিঙা ৪০, ঢেঁড়স ৩০, করলা ৩৫, লতা ৬০, কাকরুল ৬০, কুমড়া প্রতি পিস ৩০-৪০ টাকা, ডাটা ২০ টাকা হালি।

এছাড়া পেঁয়াজ ৩৫, রসুন ৫০ টাকা কেজি ও লেবু ২৫ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারের কাদির স্টোরের বিক্রেতা কাদির মিয়া বলেন, মাসকলাই ৯০, মটর ডাল ৬০, অ্যাংকার ৪০, মুগ ডাল ১২০, মসুর ডাল (বড়) ৭০ এবং ছোট ১১০, ছোলা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে মুড়ি ৭০-৭৫, চিনি ৭০, আটা ৩০, সয়াবিন তেল ১৩০-১৩২, সরিষার তেল ১২০-১৮০ টাকয় বিক্রি হচ্ছে।

শম্ভুগঞ্জ বাজারের মাছ বিক্রেতা আন্নাস মিয়া বলেন, রুই ছোট ২২০-৪০০, বড় ৪০০, মৃগেল ২২০, পাঙ্গাশ ১১০-১৩০, সিলভার ১৮০, মাগুর ২০০-২২০, দেশি কই ৪০০-৪৫০, শিং ২৫০-৩০০, টেংরা ৩৫০, সামদ্রিক মলা ৩২০, বাইম ১ হাজার ২০০, পাবদা ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কথা হয় ওই বাজারের চাল বিক্রেতা সাইফুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে বাজারে নতুন চালের আমদানি হয়েছে। ফলে দাম কিছুটা কমেছে। আটাশ নতুন চাল ৪৪, আটাশ পুরাতন ৫২, ঊনত্রিশ নতুন ৪৪, পুরাতন ৫২, নাজিরশাইল ৫৮-৬০, মিনিকেট ৬০-৬২ টাকা কেজি হচ্ছে।

HostGator Web Hosting