সংবাদ শিরোনাম

 

স্টাফ রিপোর্টার, ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম : আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে কঠোর বিধিনিষেধ শিথিলের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চলাচলের সুযোগ দিয়েছে সরকার। তবে শর্ত মানছে না গণপরিবহন। ভাড়াও আদায় করা হচ্ছে দ্বিগুণ।

পরিবহন শ্রমিকরা বলছেন, আগে যেখানে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় দিনে দুই থেকে তিনবার আসা-যাওয়া করা যেত, এখন সেখানে যানজটের কারণে দিনে একবারই আসা-যাওয়া করা যাচ্ছে না। এজন্য তারা ভাড়া কিছুটা বেশি নিচ্ছেন।

রোববার বিকেলে ময়মনসিংহ নগরীর পাটগোদাম ব্রিজ মোড় ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

ফুলপুর বাইটকান্দি থেকে ডাক্তার দেখাতে ময়মনসিংহের চরপাড়ায় এসেছিলেন এমদাদুল হক। তিনি বলেন, ‘ফুলপুর থেকে আসার সময় ৫০ টাকা ভাড়া দিয়ে এসেছি। এখন ১০০ টাকাতেও ফুলপুর নিচ্ছে না। বাড়িতে যেতে হবে, তাই বাধ্য হয়েই গাড়িতে উঠেছি।’

মাদরাসাছাত্র মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘আমি রাজবাড়ির একটি মাদরাসায় লেখাপড়া করি। অন্যান্য সময় ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোনার দুর্গাপুর বিরিশিরি যেতে ভাড়া নিত ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা। এখন সেখানে ২২০ থেকে ২৫০ টাকা ভাড়া চাইছে।’

এ বিষয়ে সাগর মিয়া নামের এক সিএনজিচালক বলেন, ‘আগে ময়মনসিংহ থেকে নেত্রকোনায় দিনে তিনবার আসা- যাওয়া করতে পারতাম। এখন যানজটের কারণে একবারই আসা-যাওয়া করা যায় না। তাই ১০০ টাকার ভাড়া ২০০ টাকা নেয়া হচ্ছে।’

ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জের এমকে সুপারের চালকের সহকারী নুরে আলম বলেন, লকডাউনে অনেক দিন গাড়ি নিয়ে বের হতে পারিনি। তাছাড়া দুই দিন পরেই ঈদ। তাই, ভাড়া কিছুটা বেশি হচ্ছে। তবে, কোনো যাত্রীকেই ভাড়া বেশি দেয়ার জন্য চাপ দেয়া হচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা মোটরযান কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন চানু বলেন, যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে সরকার নির্দেশিত নিয়ম মেনেই গণপরিবহন চালানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কোনো পরিবহন ভাড়া বেশি নিলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন তিনি।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম