সংবাদ শিরোনাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক : চলমান কঠোর লকডাউনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজধানীতে আসছে মানুষ। প্রাইভেট কার কিংবা ট্রাকে চেপে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে রাজধানীর আশপাশ পর্যন্ত আসছে তারা। এরপর রিকশা কিংবা ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা দিয়ে রাজধানীর প্রবেশপথগুলো পর্যন্ত। তারপর দু পা ভরসা। রাজধানীতে ঢুকতে হচ্ছে হেঁটেই। আর যে যানবাহনগুলো রাজধানীতে ঢুকছে সেগুলো পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর গাবতলী এলাকায় সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, নানা কারণেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় কিংবা রাজধানীর আশপাশ থেকে রাজধানীতে ঢুকছে মানুষ। লকডাউনে যাতায়াতের পেছনে তাদের রয়েছে নানান যুক্তি। তাদের কেউ যাচ্ছেন অসুস্থ বোনকে দেখতে, কারো মা অসুস্থ, আবার কেউ যাচ্ছেন ঈদ উপলক্ষে চাচার বাসায় বেড়াতে‑ ইত্যাদি।

গাজীপুর থেকে গাবতলী দিয়ে রাজধানীতে ঢুকছিলেন মিল্টন। তিনি বলেন, বোনের বাচ্চা হবে। তাই যাওয়া লাগবে। লকডাউনের মধ্যে এত কষ্ট করেই যাচ্ছি। গাজীপুর থেকে রিক্সায়-অটোরিকশায় গাবতলী পর্যন্ত এসেছি। দেখি সামনে গিয়ে কি পাই।

বোনকে দেখতে কুড়িগ্রাম থেকে এসেছেন সাইফুল ইসলাম সবুজ, যাচ্ছেন কেরানীগঞ্জ। হেঁটে রাজধানীতে ঢোকার সময় গাবতলীতে তিনি জানান, ছোট বোন অসুস্থ। বড় ভাই হিসেবে দেখতে যাওয়ার দায়িত্ব রয়েছে। ভাই বোনকে দেখতে এই লকডাউনের মধ্যেই কষ্ট করে যাচ্ছি।

নবীনগর থেকে রিকশা দিয়ে গাবতলী পর্যন্ত এসেছেন বাহার উদ্দিন। নবীনগরে ফটো তোলার ব্যবসা করেন তিনি। মায়ের অসুস্থতার কারণে তাকে দেখতে চাঁদপুর যাচ্ছেন তিনি। বলেন, আমার মায়ের খুবই মুমূর্ষু অবস্থা। আমাকে যেতেই হবে।

গাবতলীতে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট আসাদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, যেসব যানবাহনে মানুষ রাজধানী থেকে বের হচ্ছে বা রাজধানীতে ঢুকছে সে যানবাহনগুলোকে গাবতলী চেকপোস্টে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাইভেট কার বা মোটরসাইকেলে থাকা যাত্রীদের গন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাওয়া হচ্ছে। তবে যৌক্তিক এবং অযৌক্তিক অনেক কারণই উল্লেখ করছেন মানুষ। অযৌক্তিক কোন বিষয় আমাদের কাছে প্রতীয়মান হলে আমরা যানবাহনগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।


মতামত জানান :

 
 
আরও পড়ুন
 
কপিরাইট © ময়মনসিংহ প্রতিদিন ডটকম - সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | উন্নয়নে হোস্টপিও.কম